সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।
সিলেট প্রতিনিধি:
হেলিকপ্টারে সিলেট ও সুনামগঞ্জের বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। সকালে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে এসে প্রথমে তিনি সুনামগঞ্জের বন্যা উপদ্রুত এলাকা পরিদর্শন। পরে তিনি সিলেটের বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শনের পর ওসমানী বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। এরপর ওসমানী হাসপাতালে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময়ের পর হযরত শাহজালাল(র.) মাজার জিয়ারত করেন। মাজার জিয়ারতের পর তিনি হেলিকপ্টারে ফের ঢাকায় চলে যান।
এদিকে, ওসমানী হাসপাতালে মতবিনিময়কালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন,
এবারের বন্যায় না খেয়ে কিংবা বিনা চিকিৎসায় একজন মানুষও মারা যায়নি, এটাই বড় প্রাপ্তি ।
এসময় তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বন্যার শুরু থেকেই নজর রাখছিলেন। পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে দেখে দ্রুত সেনাবাহিনীসহ সকল বাহিনী ও প্রশাসনের সকল সেক্টরকে মাঠে নামার নির্দেশনা দেন। যার জন্য বন্যা মোকাবেলা সম্ভব হয়েছে। মন্ত্রী বন্যা পরবর্তী অসুখ মোকাবেলায় স্বাস্থ্য বিভাগ প্রস্তুত আছে বলেও মন্তব্য করেন।
জাহিদ মালেক বলেন, সিলেটে ভয়াবহ বন্যায় সবগুলো জেলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ছে। বিশেষ করে সুনামগঞ্জ ৯০ ভাগ, সিলেট ৭০ ভাগ ডুবে গেছে। আগের তুলনায় পানি কমলেও এখনো অনেক জায়গা নিমজ্জিত রয়েছে। এই বন্যা মোকাবেলায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিয়েছে। মনিটরিং সেন্টার খুলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ওষুধের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বন্যায় পানি ঢুকে পড়া হাসপাতালে মুমূর্ষ রোগীদের সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা করেছিলাম। ফলে বিনা চিকিৎসায় ও খাবারের অভাবে এখনো কেও মারা যায়নি।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে সিলেটে ১৪০ টিরও বেশি মেডিকেল টিম কাজ করছে ; প্রস্তুত রয়েছে আরও দুহাজারের বেশি কর্মী।
এসময় সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিমাংশু লাল রায়, ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি মাসুক উদ্দিন আহমদসহ স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।





