শাল্লায় র্যাব-পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান।
সুনামগঞ্জের শাল্লায় সংখ্যালঘুদের ঘর বাড়িতে হামলার ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে র্যাব ও পুলিশ। হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। ক্ষতিগ্রস্থ গ্রামে পুলিশ ক্যাম্প বসানো হয়েছে।
অন্যদিকে, গতকাল শুক্রবার সকালে ভুক্তভোগীদের বাড়ি ও নোয়াগাঁও পরিদর্শন করেছেন বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান ও ডিআইজি মফিজ উদ্দিন। তারা বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এসময় ক্ষতিগ্রস্থদের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়া ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির দাবিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অব্যাহত রয়েছে। নিন্দার ঝড় ওঠেছে পুরো দেশে।
এদিকে, হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় আটক ২২ জনের জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
গতকাল শুক্রবার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম ইসরাত জাহানের আদালতে গ্রেফতারকৃতদের তোলা হলে তিনি এ আদেশ দেন। সুনামগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. সেলিম নেওয়াজ বলেন, ‘কড়া নিরাপত্তার মধ্যদিয়ে আটক আসামিদের আদালতে আনা হলে বিচারক তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ওই ২২ জনকে আটক করা হয়।’
গতকাল শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলায় হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত নোয়াগাঁও গ্রাম পরিদর্শন করেছেন সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি ও ডিআইজি মফিজ উদ্দিন আহমেদ বিপিএম। পরিদর্শন শেষে নোয়াগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সোয়া ৩লাখ টাকা বিতরণ করেন বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান এনডিসি। এরমধ্যে বেশী ক্ষতিগ্রস্থ ৩৭ জনকে ৫ হাজার এবং কম ক্ষতিগ্রস্ত ৫৩ জনকে ৩ হাজার টাকা করে নগদ অর্থ প্রদান করা হয়েছে।
বিভাগীয় কমিশনার নগদ অর্থ বিতরণকালে সরকারের পক্ষ থেকে ৩২ বান্ডিল ঢেউটিন এবং ৭ টন চাল বরাদ্দ দেয়ার ঘোষণা দেন ।





