#যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যে ২০২১ সালে আসছে কঠোর ড্রাইভিং আইন।

যুক্তরাজ্যে ২০২১ সালে সাতটি নতুন শর্তযুক্ত আরও কঠোর ড্রাইভিং আইন আসছে । মিলিয়ন মোটরচালক এই পরিবর্তনের দ্বারা আক্রান্ত হবে, যারা অমান্য করবে তাদের জন্য রয়েছে মোটা জরিমানা এবং পেনাল্টি পয়েন্ট। এমনকি ইন্সুরেন্স কভারও বাতিল হতে পারে নতুন নিয়ম মেনে চলতে ব্যর্থ হলে।

কি কি থাকছে নতুন আইনে –

১. মোবাইল ফোন নিষেধাজ্ঞাঃ

গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে চালকদের ২০০ পাউন্ড জরিমানা এবং ছয় পয়েন্টের সম্মুখীন হতে হবে নতুন নিয়মে ।

গাড়ি চালানোর সময় ছবি বা ভিডিও তোলা সম্পূর্ণ রূপে নিষিদ্ধ করা হয়েছে ।

২. ফুটপাথ/পেভমেন্ট পার্কিং নিষেধাজ্ঞা:

সমগ্র যুক্তরাজ্য শীঘ্রই লন্ডনের মত ফুটপাথ বা পেভমেন্ট পার্কিং অবৈধ করা হতে পারে, যেখানে নিয়ম ভঙ্গকারীদের ৭০ পাউন্ড জরিমানা করা হবে ।

২০২০ সালের শেষে এ নিয়ে একটি আলোচনা হয় এবং কয়েক মাসের মধ্যে এটি কার্যকর হওয়ার কথা।

৩. MOT সময় বর্ধিতাংশের সমাপ্তি :

লকডাউন নিষেধাজ্ঞার কারণে সরকার এমওটির নবায়নের মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানোর ঘোষণা দেয়।
এই মেয়াদ ৩১ জানুয়ারি শেষ হয় এবং এখন বৈধ MOT সার্টিফিকেট ছাড়া ভ্রমণকারী চালকদের ১,০০০ পাউন্ড পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে।

৪. ইউরোপে গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে ব্রেক্সিট পরিবর্তন:

শেষ মুহূর্তের ইউকে-ইইউ চুক্তি অধিকাংশ চালককে ইন্টারন্যাশনাল ড্রাইভিং পারমিট ছাড়া গাড়ি চালানোর অনুমতি দেয়, কিন্তু ব্রিটিশদের ইউরোপে গাড়ি চালানর ক্ষেত্রে এখন কিছু বাড়তি কাগজপত্র সরবরাহ করতে হবে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হচ্ছে গাড়ি ইন্সুরেন্স প্রদানকারীর কাছ থেকে গ্রীন কার্ডের কপি সংগ্রহ করতে হবে। যদি তাদের গাড়ির বয়স ১২ মাসের কম হয় তাহলে চালকদের V5C লগবুকও সাথে রাখতে হবে।

৫. নতুন ক্লিন এয়ার জোন:

লন্ডনের (ইউলেজ) সিস্টেম যা রাজধানীর সবচেয়ে দূষিত যানবাহন কে চার্জ করে, তা সম্প্রসারিত করা হবে। বাথ, বার্মিংহাম সহ বেশ কয়েকটি বারায় এই চার্জ সংযুক্তির পরিকল্পনা আছে। বার্মিংহাম কাউন্সিলের প্রস্তাবনা অনুযায়ী চালকদের প্রতিদিন ৮ পাউন্ড পর্যন্ত এবং এইচজিভি (ট্রাক এবং লরি), কোচ এবং বাসের জন্য ৫০ পাউন্ড চার্জ করা হতে পারে।

বাথ কাউন্সিলে ভ্যান, ট্যাক্সি, ব্যক্তিগত ভাড়া করা যানবাহন এবং মিনিবাসের জন্য দিনে ৯ পাউন্ড এবং বড় যানবাহনের জন্য ১০০ পাউন্ড চার্জ করা হতে পারে। ব্যক্তিগত গাড়ি এবং মোটরবাইকের জন্য কোন চার্জ ধরা হবেনা।

৬. সবুজ নম্বর প্লেট:

অল-ইলেকট্রিক এবং জিরো ইমিউশন গাড়ির চালকরা সবুজ নম্বর প্লেট কিনতে পারবেন। সরকার পরামর্শ দিয়েছে যাদের এই প্লেট থাকবে তারা সস্তা পার্কিং এবং বিশেষ জিরো ইমিউশন জোন উপভোগ করতে পারবেন।

৭. বাধ্যতামূলক গতি সহায়ক সরঞ্জাম:

গাড়ি প্রযুক্তি খুব দ্রুত এগিয়ে যাওয়ার কারনে অনেক সময় চালকরা গতি সীমার উপরে গাড়ি চালিয়ে থাকে। ২০২২ সালের মধ্যে সব নতুন গাড়িতে ইন্টেলিজেন্ট স্পিড অ্যাসিস্ট্যান্স (আইএসএ) লাগানো হতে পারে। এর মাধ্যমে দুর্ঘটনা ৩০% এবং মৃত্যু ২০% হ্রাস করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *