ফিলিস্তিনের সমর্থনে লন্ডনে বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ।
ফিলিস্তিনি মানুষদের সাথে সংহতি জানিয়ে লন্ডনে দ্বিতীয় সপ্তাহের মত বিশাল বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রচন্ড উপেক্ষা করে লক্ষাধিক মানুষের সমাবেশ ঘটে ঐতিহাসিক হাইড পার্কে। ইভিনিং স্ট্যান্ডার্স জানিয়েছে সমাবেশে ১লাখ ৮০ হাজারের বেশি মানুষ সমবেত হয়েছিলেন।
শনিবার প্যালেস্তাইন সলিডারিটি ক্যাম্পেইন (পিএসসি) আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয় সেন্ট্রাল লন্ডনের ভিক্টোরিয়া এমবার্কমেন্ট স্টেশনের সামন থেকে।
সমাবেশে বক্তব্য রেখেছেন লেবার পার্টি সাবেক লিডার জেরেমি করবিন এমপি। এছাড়া বক্তব্য রাখেন সাবেক চ্যান্সেলর জন ম্যাকডোনেল। করবিন তার বক্তব্যে বলেন হাজার হাজার ফুট উচু থেকে বোমা ফেলে বাড়ী ধ্বংস করা হচ্ছে, তা দেখে শিশুদের বড় উচিত নয়।
তিনি বলেন, পশ্চিম তীর দখল করা হয়েছে, গাজা অবরোধ্য করে রাখা হয়েছে। সেখানে সহিংসতার মূল কারনই হচ্ছে দখল। “দখলই ইস্যু, পশ্চিম তীর দখল, গাজার অবরোধ, এগুলিই ইস্যু।
তিনি বলেন, যত দিন “ফিলিস্তিনি জনগণ মুক্ত না হবে ততদিন পর্যন্ত আমরা তাদের পাশে থাকব। আমরা ফিলিস্তিনি জনগনকে কখনো তাদের হাতে হস্তান্তর করব না।
সমবেত জনতা, ব্যানার, প্লাকার্ড এবং ফিলিস্তিনের পতাকা হাতে নিয়ে পদ যাত্রা শুরু করেন। এসময় আশপাশের প্রায় সকল রাস্তা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় ট্রাফিক পুলিশ।
সমাবেশে বিভিন্ন কমিউনিটির তরুন তরুনীরা অংশনেয়। তাদের অনেকেই ফিলিস্তিনি পোশাক, মুখোশ এবং মুখে রং দিয়ে পতাকা অংকন করেছে।
এদিকে সমাবেশে প্রতিবাদকারীরা অবিলম্বে ফিলিস্তিনে স্থায়ীভাবে হামলা বন্ধ এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্বের মুসলিম সৈন্যদের এগিয়ে আসার আহবান জানান। ফিলিস্তিনি ও গাজার নির্যাতিত মানুষদের প্রতি সহানুভুতি জানিয়ে প্রতিবাদ সমাবেশে অংশনেন বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ।
বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নিয়েছেন বিপুল সংখ্যক বাংলাদেশী, পাকিস্তানি, ভারতীয়সহ বিভিন্ন মুসলিম কমিউনিটির মানুষ। এর উল্লেখ্য অংশই ছিলো নারী এবং তরুন প্রজন্ম। তারাও ফিলিস্তিনে দ্রুত শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিশ্ব নেতাদের এগিয়ে আসার আহবান জানান।





