#যুক্তরাজ্য

আত্মজীবনী লিখছেন প্রিন্স হ্যারি।

নিজের ছোটবেলার গল্পসহ তার সঙ্গে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনার তথ্য এবার তুলে ধরবেন প্রিন্স হ্যারি, ডিউক অব সাসেক্স আর তা প্রকাশিত হবে বই আকারে। পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউজ থেকে বইটি প্রকাশ হবে ২০২২ সালের দিকে।

অভিজাত রাজ পরিবার থেকে বের হয়ে প্রিন্স হ্যারি আর মেগান মেরকেল এখন নিজেদের অর্থনৈতিক দিক দিয়ে স্বাবলম্বী করছেন। এরইমধ্যে নেটফ্লিক্সের সঙ্গে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন ব্রিটিশ রাজ পরিবারের রাজপুত্র ও রাজবধূ। ডকুমেন্টরি, ফিচার ফ্লিম আর শিশুদের নিয়ে বিভিন্ন প্রোগ্রাম নির্মাণ করতে চান এই দম্পতি।

বই প্রকাশের খবর ঘোষণা দিয়ে সোমবার পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউজ জানায়, প্রিন্সের জীবনের নানান অভিজ্ঞতার ভাণ্ডার হবে এটি। জীবনের সাফল্য-ব্যর্থতা আবার নিজেকে নতুন করে তৈরি করা, মেগানের সঙ্গে তার বিয়ে, সবই থাকবে বইটিতে।

২০২২ সালের কবে বইটি বের হবে তা নিদিষ্ট করে বলা হয়নি। বইটির জন্য প্রিন্সের সঙ্গে পেঙ্গুইনের কত আর্থিক চুক্তি হয়েছে তা প্রকাশ করা হয়নি। তবে বই থেকে পাওয়া অর্থ চ্যারিটিতে দিয়ে দেয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন প্রিন্স হ্যারি।

এক বক্তব্যে প্রিন্স হ্যারি বলেন, একজন প্রিন্স হিসেবে আমি এই বইটি লিখছি না। বরং আমি যেভাবে মানুষ হয়েছি তা নিয়েই লিখছি। জীবনের উত্থান-পতন, ভুল এবং যেসব আমি শিখেছি সেগুলোই আমি বলবো এখানে।

প্রিন্স হ্যারির ১২ বছর বয়সে তার মা প্রিন্সেস ডায়ানা এক গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যান। এই বইয়ে সেই প্রসঙ্গও থাকবে। এছাড়া হ্যারির সামরিক জীবন ও সৈনিক হিসেবে আফগানিস্তানে তার দুইটি সফরের কথাও উল্লিখিত হবে এ স্মৃতিকথায়।

কয়েক মাস আগে প্রিন্স হ্যারি ও মেগান দম্পতি মার্কিন টিভি ব্যক্তিত্ব অপরা উইনফ্রে-র সাথে একান্তে এক সাক্ষাৎকার দেন। সিবিএস দুই ঘণ্টার এই বিশেষ অনুষ্ঠানটি সম্প্রচার করে। সেখানে এই দম্পতি বিভিন্ন বিষয় যেমন বর্ণবাদ, মানসিক স্বাস্থ্য, গণমাধ্যমের সাথে তাদের সম্পর্ক এবং রাজ পরিবারের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

২০২০ সালের মার্চে রাজ পরিবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগের পর এই দম্পতি ক্যালিফোর্নিয়ায় গিয়ে বসবাস শুরু করেন।

এরপর ঘোষণা দেন রাজ পরিবারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য হিসেবে তারা আর ফিরবেন না অভিজাত ব্রিটিশ রাজ প্রাসাদে।

তথ্যসূত্রঃ নিউ ইয়র্ক টাইমস।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *