অর্ধেক ইংল্যান্ড ফের লক ডাউনে।
করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতি আটদিনে দ্বিগুণ হচ্ছে জানিয়ে ইংল্যান্ড জুড়ে ফের লকডাউন সংক্রান্ত নিষেধাজ্ঞা জারির ব্যাপারে সতর্ক করেছে ব্রিটিশ সরকার। হেলথ সেক্রেটারী বলেছেন, ‘আমরা দেশজুড়ে ফের লকডাউনের বিপক্ষে, কিন্তু প্রয়োজন হলেই তা করতে প্রস্তুত আমরা।’
ম্যাট হ্যানকক শুক্রবার বিবিসিকে আরও বলেন, ‘জীবন ও জীবিকা বাঁচানোর জন্য যা করা প্রয়োজন তা করার জন্য প্রস্তুত আছি।’ করোনার সংক্রমণ আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে শুরু করার পর ইংল্যান্ডের বিশ লাখ মানুষের জন্য ফের বিধিনিষেধ জারির পর তিনি এসব কথা বলেন।
এদিকে করোনা পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকায় উত্তর পূর্ব ইংল্যান্ডের পর মঙ্গলবার থেকে লকডাউনে যাচ্ছে ইংল্যান্ডের নর্থ ওয়েস্ট, মিডল্যান্ডস এবং ওয়েস্ট ইয়র্কশায়ার। এসকল এলাকায় প্রতি ১০০ হাজার মানুষের মধ্যে ১০০.৬ মানুষ করোনায় আক্রান্ত। লকডাউনের ফলে ৪.৭ মিলিয়নের বেশি মানুষ অতিরিক্ত বিধিনিষেধের আওতায় আসবেন। ইংল্যান্ডে সব মিলিয়ে ১৩ মিলিয়ন মানুষ লকডাউনের আওতায় রয়েছেন।
এরফলে স্থানীয় বাসিন্দারা বাড়ীর বাইরের কারো সাথে মিশতে পারবে না। এমন কি বন্ধু বান্ধবের দেখা করা কিংবা সামাজিক যোগাযোগ বন্ধ করা হয়েছে। তাছাড়া রেস্টুরেন্ট ও পাব সমূহকে রাত ১০টার মধ্যে বন্ধের নিদের্শ দেয়া হয়েছে। শুধুমাত্র কাস্টমারদের বসিয়ে খাবার পরিবেশনের সুযোগ থাকবে।
নতুন লকডাউনে আসা এলাকারগুলোর মধ্যে ল্যাঙ্কাশায়ার, মের্সিইসাইড, মিডল্যান্ডস এবং পশ্চিম ইয়র্কশায়ারের কিছু অংশে কঠোর বিধিনিষেধ কার্যকর হবে। বিবিসি জানিয়েছে ল্যাঙ্কাশায়ারের ব্ল্যাকপুল বাদে মারসিসাইড, ওয়ারিংটন এন্ড হালটনে সংক্রমন বৃদ্ধি পাওয়ার পর লকডাউন ডাকতে বাধ্য হয় সরকার।
নতুন লকডাউনে যাওয়া এলাকারগুলোর মধ্যে লেস্টারশায়ারের ওলভারহ্যাম্পটন, ওডবি এন্ড উইগস্টোন, ব্র্যাডফোর্ড এর কিছু অংশ কিরক্লিজ এবং ক্যান্ডারডেলি এলাকাগুলো রয়েছে।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার মধ্যরাত থেকে এসব বিধিনিষেধ কার্যকর হওয়া এলাকাগুলো হল নিউক্যাসেল, সান্দারল্যান্ড, সাউথ টিনেসাইড এবং গেটশেড।





