৫ই নভেম্বর থেকে ইংল্যান্ডে ১ মাসের লকডাউন।
ইংল্যান্ডে দ্বিতীয়বারের মত জাতীয় লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই ঘোষণাদেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। আগামী বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) থেকে লকডাউন কার্যকর হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা ভাইরাস সংক্রমন বৃদ্ধি পেতে থাকায় লকডাউন ঘোষণা করা ছাড়া আর কোন বিকল্প ছিলো না তার হাতে। তিনি বলেন, চিকিৎসা সেবা ও নৈতিক বিপর্যয় থেকে এনএইচএস কে রক্ষা করতেই এই সিদ্ধান্ত। তিনি মনে করেন এর ফলে আগামী ক্রিসমাস ‘খুব আলাদা’ হবে এবং পরিবারগুলো জড়ো হতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার থেকে অপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান, রেস্টুরেন্ট ও পাব ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখতে হবে। তবে স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটি চালু থাকবে।
২ ডিসেম্বরের পর আবারো টায়ার সিস্টেমে ফিরে আসবে ইংল্যান্ড। বরিস জনসন আশা করেন, বড়দিন সবাই মিলে উদযাপন করতে পারবেন।
একই সাথে বন্ধ হয়ে যাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীরা বেতনের ৮০ ভাগ পর্যন্ত ডিসেম্বর অবদি পাবেন।
লকডাউনের নতুন নিয়মে লোকজনকে কোন কারন ছাড়া ঘরের বাইরে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। একান্তই যদি ঘরে থেকে কাজ কিংবা লেখাপড়া সম্ভব না হয় তাহলে বাইরে যেতে পারবেন।
শারিরীক অনুশীলনের জন্য ঘরের বাইরে বের হওয়া যাবে। এসময় ঘরের অথবা বাইরের একজনকে সাথে রাখা যাবে।
ঘরের বাইরে বা ভিতরে যেকোন ধরনের মিটিং নিষিদ্ধ।
পাব, বার, রেস্টুরেন্ট এবং অপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান বন্ধ থাকবে। শুধুমাত্র টেইকওয়ে ও কালেকশন রিটেইল চালু থাকবে। নির্মান সাইট এবং উৎপাদন কাজের জায়গা খোলা থাকবে।
শিশুরা ঘরের বাইরে গিয়ে বাবা-মার সাথে দেখা করতে পারবে, যদি বাবা-মা পৃথক হয়ে বসবাস করেন।
স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকা লোকদের বিশেষ সাধাণতা অবলম্বন করতে বলা হয়েছে।
এদিকে গত ২৪ ঘন্টায় ব্রিটেনে করোনায় আরো আক্রান্ত হয়েছে ২১,৯১৫ জন। যা বিগত দিনের চেয়ে প্রায় ২৫০০ জন কম। আর গত ২৪ ঘন্টায় মৃত্যু হয়েছে আরো ৩২৬ জনের। মোট মৃতের সংখ্যা ৪৬ হাজার ৫৫৫ জন। ব্রিটেনে মোট আক্রন্তের সংখ্যা ১০ লাখ ছাড়িয়ে গেছে।





