৩ লাখ এ-লেভেল ব্রিটিশ শিক্ষার্থীকে ‘ডাউনগ্রেড’ করছেন শিক্ষকরা
কম নম্বর পাওয়ায় অসন্তষ্ট অভিভাবকরা শিক্ষকদের উপর আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারেন এই ভয়ে স্কুলগুলি বেসরকারি আইনজীবি নিয়োগ দিচ্ছেন। অভিভাবকদের বিস্তর অভিযোগ মোকাবেলা করতেই স্কুলগুলো এধরনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। শিক্ষকরা বলছেন অন্তত ৩৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় এতটাই খারাপ করেছে যে তাদের ‘ডাউনগ্রেড’ করতে হচ্ছে। এদের ফলাফল প্রকাশ হবে আগামী সপ্তাহে।
‘অফকুয়াল’ স্ট্যাটিসক্যাল মডেল অনুসারে ৭ লাখ ৩০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থীকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। শিক্ষকদের দেয়া প্রায় কুড়ি লাখ গ্রেড পরিবর্তন বা উপেক্ষা করা হতে পারে। এক চতুর্থাংশ (১ লাখ ২৪ হাজার) স্কটিশ শিক্ষার্থীর গ্রেড বাতিল করার পর তারা ভীষণ ক্ষুব্ধ।
কোভিড লকডাউনের কারণে শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বাতিল হয়ে যায়। এরপর অফকুয়াল পদ্ধতি অনুসারে প্রতিটি শিক্ষার্থীর আগের ও সাম্প্রতিক পরীক্ষার ফলাফল যাচাই করে গ্রেড দেয়া হবে। ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষা আইনজীবিরা অভিভাবকদের আপত্তি বা দাবির প্রেক্ষিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেবেন।
জিসিএসই পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে একই ধরনের সমস্যা দেখা দিয়েছে। এ পদ্ধতির পরীক্ষায় ২০ লাখ শিক্ষার্থীর গ্রেডের মান নির্ভর করছে শিক্ষকদের মূল্যায়নের ওপর। অফকুয়াল পদ্ধতিতে স্কটিশ শিক্ষার্থীরা তাদের ফলাফল মূল্যায়নে পুনরায় আবেদন করতে পারলেও ইংলিশ শিক্ষার্থীরা তা পায় না।
ইন্ডিপেনডেন্ট স্কুল এ্যাসোসিয়েশনের প্রধান নির্বাহী নেইল রসকিলি বলছেন এ পরিস্থিতিতে সিংহভাগ অভিভাবকরা অসন্তষ্ট। তারা স্কুলের ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করবেন শিক্ষার্থীদের তাদের পছন্দ অনুযায়ী গ্রেড দেয়ার জন্যে।





