লক ডাউনে ক্ষতিগ্রস্ত রেস্টুরেন্ট কর্মচারীদের ৬৭ শতাংশ বেতন দেবে সরকার।
যুক্তরাজ্যে করোনা মহামারী মোকাবেলায় লোকাল বা জাতীয়ভাবে লকডাউনে হসপিটালিটি ইন্ড্রাস্ট্রির যে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হবে বা বন্ধ হবে যাবে সেই সকল প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা পুনরায় কাজে ফিরে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তাদের বেতনের দুই তৃতীয়াংশ পাবেন । জব রিটেনশন স্কিম বিষয়ে শুক্রবার গনমাধ্যমকে দেয়া এক বক্তবে চ্যান্সেলর ঋষি সোনাক এসব কথা বলেন ।
তিনি বলেন, করোনাভাইরাস বিধিনিষেধের কারণে যুক্তরাজ্যের যে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখতে হবে, সেই সমস্ত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারীদের তাদের বেতনের দুই-তৃতীয়াংশ সরকার প্রদান করবে এমনটাই জানিয়েছেন চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক।
বিবিসি জানিয়েছে, ১লা নভেম্বর থেকে এই স্কিম চালু হবে এবং এটি ছয় মাস পর্যন্ত চালু থাকবে। ট্রেজারির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই স্কিমটি চালু রাখতে প্রতি মাসে শত শত মিলিয়ন খরচ হবে।
এদিকে জানা গেছে, সোমবার এ সংক্রান্ত নতুন ঘোষণা দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। আইন অনুযায়ী বন্ধ থাকাকালীন সময়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৬৭ শতাংশ বেতন পরিশোধ করবে সরকার।
শুক্রবার চ্যান্সেলার ঋষি সোনাক এই ঘোষণা দিয়েছেন। নভেম্বর থেকে শুরু হবে এই স্কীম। চলবে ৬ মাস। এ জন্যে সরকারী কোষাগার থেকে প্রতি মাসে শত শত মিলিয়ন পাউন্ড ব্যয় হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া বন্ধ থাকাকালীন সময়ে মাসে সর্বোচ্চ ৩ হাজার পাউন্ড বিসনেস গ্রান্টও পাবে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো।
চ্যান্সেলার ঋষি সোনাকের এই ঘোষণাকে অবশ্য স্বাগত জানিয়েছে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত হসপিটালিটি সেক্টরের ব্যবসায়ীরা। দুই-তৃতীয়াংশ বেতন এবং মাসে সর্বোচ্চ ৩ হাজার পাউন্ড গ্র্যান্ট কিছুটা চাপ কমাবে বলে আশা করছেন তারা। তবে শীত মৌসুমে করোনার পরিস্থিতি কি হবে তা নিয়েও কেউ কেউ শঙ্কিত রয়েছে।
এদিকে লেবার পার্টি এবং উত্তর ইংল্যান্ডের জনপ্রতিনিধিরা মনে করছেন, চাকুরীর বাজারের সংকট সমাধানে সরকারের নতুন পরিকল্পনা যথেষ্ট নয়।
এদিকে নতুন এই স্কীম শুধু মাত্র তারাই পাবে যারা সরকারের আইন অনুযায়ী ব্যবসা বন্ধ রেখে আবার পুনরায় ব্যবসা চালু করে। যে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান করোনার নেতিবাচক প্রভাবের ফলে এরিমধ্যে বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বা বন্ধ হয়ে গেছে, সেই সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ৬৭ শতাংশ পরিশোধ করবে না সরকার।
নভেম্বর থেকে সরকারের এই স্কীম চালু হবে। জানুয়ারীতে গিয়ে আবার তা রিভিউ করা হবে বলে জানিয়েছেন চ্যান্সেলার।
এদিকে জানা গেছে ,আগামী সোমবার ইংল্যান্ডে সবচেয়ে আক্রান্ত অঞ্চলে নতুন করোনা বিধি আরোপ করা হবে। ধারনা করা হচ্ছে ,পাব এবং রেস্তরোগুলো বন্ধ ঘোষনা করা হবে ।





