৫১ লক্ষ ইইউ নাগরিক ইউকে তে থাকার আবেদন করেছেন।
২০২০ সালের ৩১শে ডিসেম্বর ইইউ এর সাথে ইউকে সম্পর্ক বিচ্ছেদ বা ব্যাক্সিট আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যকর হলেও এরই মধ্যে ৫.১ মিলিয়ন ইউরোপিয়ান নাগরিক ইউকে তে থাকার জন্য আবেদন করেন।ইতিমধ্য ৪.৬ মিলিয়ন ইইউ নাগরিক ব্রিটেনে থাকার অনুমতি পেয়েছেন।আবেদনকারির বেশীর ভাগ আবেদন গ্রহন করেছে হোম অফিস।তবে সামান্য কিছু আবেদন তথ্যগত বা প্রমাণপত্রের সঠিক না থাকায় খারিজ হয়েছে।
১.৬ মিলিয়ন ইইউ নাগরিক শুধু লন্ডন শহরেই স্থায়ী ভাবে বসবাস করছেন। সেই সাথে ব্যাবসা বানিজ্য সহ সরকারের বিভিন্ন উর্ধতন কর্মকর্তা হিসেবে উচ্চ পদে কাজ করে যাচ্ছেন।এমন কি কেউ কেউ আবার সেল্ফ ইমপ্লয়মেন্ট হিসাবেও কাজ করে যাচ্ছে।
৩১শে ডিসেম্বর শেষ সময় এসেও ২ মিলিয়নেরও বেশী ইইউ নাগরিক ইউকে তে থাকার জন্য আবেদন করেন। এর মধ্যে ১.৫ মিলিয়ন নাগরিককে অনুমতি দিয়েছে হোম অফিস।বাকী ০.৫ মিলিয়ন আবেদন খারিজ করে দিয়েছে হোম অফিস।
ইইউ নাগরিকদের মধ্যে পোলেন্ড, রোমানিয়া এবং ইতালীর অধিবাসী সবচেয়ে বেশী আবেদন করছেন।
দি জয়েন্ট কাউন্সিল ফর দি ওয়েলফেয়ার অফ ইমিগ্রান্ট (JCWI) এর প্রতিবেদন বলা হয়েছে। ২০২০ সালের ৩১শে ডিসেম্বর ব্রেক্সিটের শেষ সময় পর্যন্ত ৫.১ মিলিয়ন ইইউ নাগরিকদের আবেদন জমা পরে। এর থেকে যাচাই বাছাই করে ৪.৬ আবেদন গ্রহন করে হোম অফিস। আবেদন নিরক্ষনের জন্য ৩০শে জুন পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা আছে।
এরই মধ্যে আবেদন যে সব আবেদন খারিজ হয়েছে, সেই সব আবেদন পত্র গুলি পূন: বিবেচনার জন্য হাইকোর্টে আবেদন করা হলে সেই আবেদন গুলি খারিজ করে দিয়েছে হাইকোর্ট।
২৪শে ডিসেম্বর ২০২০ ইউকের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও ইইউ-এর প্রধান উরসুলা ভন ডার লিয়েন সাথে যুক্তরাজ্যের সঙ্গে ইইউ তাদের একটি ‘ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ’ ব্রেক্সিট চুক্তি হয়।
ইউকের শতকরা ১৭% পারসেন্ট নাগরিক ইইউ থেকে এসে ইউকেতে স্থায়ী ভাবে বসবাস করছেন।





