#যুক্তরাজ্য

যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি, বেড়েছে সবকিছুর দাম।

অর্থনীতির চাকা ঘুরতেই না ঘুরতেই যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে। খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে পুরোনো গাড়ি পর্যন্ত সবকিছুরই দাম বেড়েছে বলে জানা যায়।

গত জুন মাসে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ২ দশমিক ৫ শতাংশে উঠে গেছে, যা প্রায় তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। অর্থাৎ কোভিড–১৯ প্যানডেমিক শুরু হওয়ার আগে বছর দেড়েক মূল্যস্ফীতি এ পর্যায়ে ছিল না।

যুক্তরাজ্যে মে মাসে ভোক্তা মূল্য সূচক (সিপিআই) ছিল ২ দশমিক ১ শতাংশ। সেই তুলনায় পরের মাসে মূল্যস্ফীতি শূন্য দশমিক ৪ শতাংশ বেড়েছে। দেশটির জাতীয় পরিসংখ্যান কার্যালয় (ওএনএস) এ তথ্য প্রকাশ করেছে। অধিকাংশ অর্থনীতিবিদ অবশ্য আলোচ্য সময়ে মূল্যস্ফীতি ২ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে প্রাক্কলন করেছিলেন।

খাদ্যপণ্য ও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণেই মূলত যুক্তরাজ্যে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে। আবার দুটিই ঘটেছে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড চালু হওয়ার সুবাদে।

এ নিয়ে সেই দেশে টানা দুই মাস মূল্যস্ফীতি দুই শতাংশের ওপরে রয়েছে, যা দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের নির্ধারিত মূল্যস্ফীতির হার হলো ২ শতাংশ। এ অবস্থায় ব্যাংকের সুদের হার বাড়ানো উচিত কি অনুচিত, তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দিতে পারে।

যুক্তরাজ্যের জাতীয় পরিসংখ্যান কার্যালয়ের (ওএনএস) তথ্য অনুযায়ী সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেখানে পুরোনো বা ব্যবহৃত গাড়ির দাম কমলেও গত মে-জুন মাসে তা বেড়েছে।

ওএনএসের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তা জোনাথন অ্যাথো বলেন, খাদ্যপণ্য থেকে শুরু করে পুরোনো গাড়ি পর্যন্ত সবকিছুরই দাম বেড়েছে।

তবে যুক্তরাজ্যকর মূল্যস্ফীতি নিয়ে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কথা শুনিয়েছেন ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের বিদায়ী প্রধান অর্থনীতিবিদ অ্যান্ডি হ্যাল্ডানে। উচ্চ মূল্যস্ফীতির শঙ্কা জানিয়ে তিনি বলেন, এটি চলতি বছরে প্রায় ৪ শতাংশের কাছাকাছি ওঠে যেতে পারে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *