কোভিড বিধিনিষেধ আর থাকছে না ইংল্যান্ডে।
করোনা ভাইরাসের তান্ডব এখনো থামেনি বিশ্বময়। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে নাজেহাল ইউরোপের বেশিরভাগ দেশ। এরই মধ্যে করোনার সংক্রমণ বিস্তার ঠেকাতে জারি করা বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করে নিচ্ছে ব্রিটিশ সরকার।
ইংল্যান্ডে কারো জন্য আর মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক থাকছে না। গত বুধবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন এ ঘোষনা দিয়েছেন। আগামী সপ্তাহ থেকে কার্যকর হতে যাচ্ছে এ নিয়ম। এছাড়া বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশনাও বাতিল করা হয়েছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশটিতে ওমিক্রন সংক্রমণ সর্বোচ্চ স্তর পাড় করেছে বলে বিশ্বাস করেন বিজ্ঞানীরা। এ কারণে কোভিড কড়াকড়ি শিথিল করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। জনসন জানান, ব্রিটেনের ৬০ বছরের বেশি বয়স্ক ৯০ শতাংশ মানুষই কোভিডের বুস্টার ডোজ গ্রহণ করেছেন। এমন প্রেক্ষিতে আগামী ২৬ জানুয়ারি থেকে বাধ্যতামূলক মাস্ক, ওয়ার্ক ফ্রম হোম এবং কোভিড পাসপোর্টের নিয়ম তুলে নেয়া হচ্ছে।
ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো চাইলে নিজেদের জন্য বাধ্যতামূলক কোভিড পাসের নিয়ম রাখতে পারে। এছাড়া ২৭ জানুয়ারি থেকে ক্লাস রুম ও গণ পরিবহনে মাস্ক পরার বাধ্যবাধকতা থাকছে না। তবে ভিড়ের মধ্যে মাস্ক পরার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
এখনো কোভিড আক্রান্ত হলে তাকে বাধ্যতামূলকভাবে আইসোলেশনে থাকার নিয়ম জারি রয়েছে। যদিও জনসন বলেছেন, শিগগিরই পুরোপুরিভাবে আইসোলেশনের নির্দেশনা বাতিল করা হতে পারে। আগামী ২৪শে মার্চ এই আইনটির মেয়াদ শেষ হচ্ছে। বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই আইন রিনিউ করার আশা করছেন না তিনি।
বুধবার (১৯ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ঘোষণায় বলেন, আগামী সপ্তাহ থেকে প্ল্যান বি’র বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে না। ওমিক্রন ঠেকাতে সরকারের প্ল্যান বি বাস্তবায়নের ফলে বুস্টার ডোজ প্রয়োগের সময় পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, আমরা ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে দ্রুত বুস্টার ডোজ প্রয়োগের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছি।
তথ্যসূত্র : বিবিসি।





