#খেলাধুলা

৯ উইকেটের জয় তুলে নিল বাংলাদেশ।

গায়ানার প্রভিডেন্স পার্ক স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টিতে ৯ উইকেটের জয় পেয়েছে টাইগাররা। টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সফরকারীদের সামনে ১০৯ রানের লক্ষ্য দেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ১ উইকেট হারিয়ে ১৭৬ বল হাতে রেখে বিশাল জয়ে সিরিজ নিশ্চিত করে বাংলাদেশ।

স্পিনাররা উইকেট নেন নিয়মিত বিরতিতে। এতে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে অল্প রানে গুটিয়ে দেওয়া যায়। পরে ব্যাটাররাও খেলেন দেখেশুনে। ব্যাট-বলের এমন পারফরম্যান্সে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ নিজেদের করে নেয় টাইগাররা।

বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের দ্বিতীয়টিতে ১০৮ রানে অল আউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। টাইগারদের স্পিনের সামনে কোনোভাবে দাঁড়াতেই পারেনি ক্যারিবীয়রা। ৩৫ ওভারে সব কয়টি উইকেট হারায় তারা।

ব্যাটিংয়ে নেমে দেখেশুনে খেলে ধীর গতিতে রান তুলতে থাকে ক্যারিবীয়রা।

ফলে পাওয়ার প্লেতে কোনো উইকেটের দেখা পান না টাইগাররা। তবে পাওয়ার প্লের ঠিক পরের ওভারে তৃতীয় বলে সাফল্য পান মোসাদ্দেক হোসেন। বলের লাইন বুঝতে ভুল হওয়ায় বোল্ড হন কাইল মেয়ার্স। ৩৬ বলে ১৭ রান করেন তিনি।

দ্বিতীয় সাফল্যের জন্যও ‍খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি বাংলাদেশকে।

১৪তম ওভারের শেষ বলে সামারাহ ব্রুকসকে বোল্ড করেন নাসুম আহমেদ। ১৩ বল খেলে ৫ রান করেই আউট হন এই ক্যারিবীয় ব্যাটার।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ স্কোরকার্ডে আর ৫ রান যোগ করার আগেই শাই হোপের উইকেট নেন নাসুম। জীবন পেয়ে ৪৫ বলে ১৮ রানের বেশি করতে পারেননি হোপ। এক বল পর ০ রানে নিকোলাস পুরানকে ফিরিয়ে নিজের তৃতীয় উইকেট নেন নাসুম।

এরপর আঘাত হানেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তার ঘূর্ণিতে অলআউট হতেও আর বেশি সময় লাগেনি ওয়েস্ট ইন্ডিজের। একে একে ব্রেন্ডন কিং, আলজেরি জোসেফ, রোমারিও শেফার্ড ও গুদাকেশ মতিকে আউট করেন তিনি। ৩৫ ওভারেই অলআউট হয়ে যায় তারা। দলের পক্ষে ২৪ বলে সর্বোচ্চ ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন কিমো পল।

৮ ওভারে ১ মেডেনসহ ২৯ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ। ১০ ওভার ৪ মেডেনে ১৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নিয়েছেন নাসুম আহমেদ।

এর আগে, টসে জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন তামিম ইকবাল।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *