#খেলাধুলা

জয় দিয়েই শুরু করলো বাংলাদেশ।

অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে জয় দিয়েই টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করেছে বাংলাদেশ। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে এর আগে অস্ট্রেলিয়াকে হারাতে পারেনি টাইগারররা।

গতকাল মঙ্গলবার প্রথম ম্যাচেই অস্ট্রেলিয়াকে ২৩ রানে হারিয়ে দারুণ শুরু করে বাংলাদেশ। ফলে ৫ ম্যাচের সিরিজে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল টাইগাররা।

গতকাল আগে ব্যাট করে ৭ উইকেটে বাংলাদেশ ১৩১ রান করে। জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সামনে টার্গেট ছিল মাত্র ১৩২ রান। কিন্তু এই সহজ টার্গেট পেয়েও টাইগার বোলারদের বোলিং আক্রমণে দিশেহারা হয়ে ম্যাচ হারে অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয় ১০৮ রানে। ফলে প্রথম ম্যাচেই বাংলাদেশ জয় পায় ২৩ রানে। গতকাল ব্যাটসম্যানরা ভালো স্কোর করতে না পারলেও টাইগার বোলাররা এই কম পুজি নিয়েই কঠিন লড়াই করে দলকে জয় এনে দিয়েছে। জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার সামনে টার্গেট ছিল ১৩২ রান। তবে ব্যাট করতে নেমে টাইগার বোলারদের বোলিং আক্রমনে প্রথমেই দিশেহারা হয়ে যায় দলটি। রানের খাতা খোলার আগেই প্রথম বলে প্রথম উইকেট হারায় দলটি। এরপর দলীয় ১১ রানে অস্ট্রেলিয়া হারায় তৃতীয় উইকেট।

বোলিংয়ে বাংলাদেশকে দুর্দান্ত শুরু এনে দেন শেখ মেহেদী হাসান। এই স্পিনারের প্রথম বলে আউট হয়ে গেছেন অ্যালেক্স ক্যারি। রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন তিনি।
এখানেই শেষ নয়, দ্বিতীয় ওভারে বাংলাদেশ পায় আরেকটি উইকেট। এবার নাসুম আহমেদের বলে ফিরে গেছেন জশ ফিলিপে। স্টাম্পিং হয়ে ফেরার আগে ৫ বলে ১ ছক্কায় করেন ৯ রান। সাকিব বল তুলে নিয়েই পেয়েছেন উইকেট। মোয়েসেস হেনরিকসকে বোল্ড করে তৃতীয় উইকেট এনে দিয়েছেন তিনি। অফ স্টাম্পের বল লেগ সাইডে টেনে খেলতে গিয়ে বোল্ডের শিকার এই ব্যাটসম্যান। ফেরার আগে ২ বলে করেন মাত্র ১ রান। ফলে ১১ রানে তিন উইকেট হারিয়ে প্রথমেই চাপে পড়ে দলটি। তবে চতুর্থ উইকেট জুটিতে দলটি ম্যাচে ফেরার চেস্টা করে। তবে দলের ফিফটি রানের আগে ৪৯ রানে ভাংগে এই জুটি। নাসুম আহমেদের বলে মোস্তাফিজকে ক্যাচ দিয়ে ফেরার আগে অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড ২৩ বলে করেন ১৩ রান। দলীয় ৭১ রানে আবার নাসুমের আঘাত। এবার অস্ট্রেলিয়া হারায় ৫ম উইকেট। নাসুমের বলে হিট উইকেট হয়ে ফেরার আগে অ্যাস্টন আগার করেন ৭ রান। দলীয় ৭১ রানে ৫টি উইকেট হারিয়ে ম্যাচ থেকে অনেকটাই ছিটকে পড়ে বিশ্বসেরারা। দলীয় ৮৪ রানে বাংলাদেশ তুলে নেন মিচেল মার্শের গুরুত্বর্পূর্ন উইকেটটি। মার্শের উপর ভর করেই শেষ রক্ষা করতে চেয়েছিল দলটি। কিন্তু নাসুমের বলে শরিফুলকে ক্যাচ দিয়ে ৪৫ বলে ৪৫ রান করা মার্শ ফিরলেই বাংলাদেশের জয়টা প্রায় নিশ্চিত হয়ে যায়। দলীয় মতরানে দলটি হারায় ৭ম উইকেট। এবার অ্যাশটন টার্নার ফিরেন ৭ রানে। টার্নারকে বিদায় করেন মোস্তাফিজ। এর পর মোস্তাফিজ আর শরিফুলের বোলিং আক্রমনে ১০৮ রানে অলআউট হয় দলটি। বাংলাদেশের পক্ষে নাসুম আহমেদ একাই নেন ৪টি উইকেট। মোস্তাফিজ আর শরিফুল নেন ২টি করে উইকেট। সাকিব আর মেহেদী হাসান নেন একটি করে উইকেট। এরআগে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে বাংলাদেশ ৭ উইকেটে করে ১৩১ রান। ব্যাট করতে নেমে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাজেভাবে আউট হয়েছেন বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাটসম্যানই। ফলে ১৩১ রানে থামে বাংলাদেশের ইনিংস। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩৬ রান করেছেন সাকিব আল হাসান। এছাড়া নাঈম শেখ ৩০ রান, আফিফ ২৩ রান আর মাহমুদুল্লাহ ২০ রান করলেও বাকি সবার স্কোর ছিল একক ফিগারে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *