আমার সকল বিষয়েই সিদ্ধান্ত নিবে বোর্ড : সাকিব।
সকল আলোচনার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত দলে ফিরলেন সাকিব। শুধু তাই নয়, দক্ষিণ আফ্রিকার সফরেও বাংলাদেশ পাচ্ছে সাকিবকে।
দক্ষিণ আফ্রিকায় কঠিন এক সফরে ওয়ানডে আর টেস্ট সিরিজ দুটিতেই দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে পাচ্ছে বাংলাদেশ, এর চেয়ে ভালো খবর আর কী হতে পারে!
গতকাল দুপুরে মিরপুরে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সঙ্গে বৈঠকের পর সাকিব আল হাসান নিজেই জানিয়েছেন সুখবরটা। শুধু দক্ষিণ আফ্রিকা সফরই নয়, সামনে বাংলাদেশের যত খেলা আছে, সবই খেলবেন বলে প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন। এ–ও বলেছেন, বিশ্রাম যদি নিতেই হয়, সেই সিদ্ধান্ত ক্রিকেট বোর্ডই নেবে। সবই ভালো ভালো কথা। সাকিবকে নিয়ে কয়েক দিন ধরে চলা নাটকের সমাপ্তিটাকে তাই ‘মধুর’ না বলে উপায় কী!
মিরপুরে সাকিবের নাটকীয় এক দিন সাকিবের মুখে রহস্যময় হাসি লেগেই ছিল পুরো সময়টায় যদিও প্রশ্ন একটা উঠছেই। যে শারীরিক ও মানসিক ক্লান্তির কথা বলে সাকিব নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন, কদিনের মধ্যে কীভাবে তা দূর হয়ে গেল? শুধু তো ক্লান্তির কথাই বলেননি সাকিব; বলেছিলেন, তাঁর অবস্থা এতটাই খারাপ যে দক্ষিণ আফ্রিকায় খেললে অন্য একজন খেলোয়াড়ের জায়গা নষ্ট করা হবে। টিমমেট এবং দলের প্রতিও যা হবে প্রতারণা। ৬ মার্চ একটা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কাজে দুবাই যাওয়ার সময় বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের যখন এ কথা বলছেন, তার তিন দিন আগেই দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের দল ঘোষণা করা হয়ে গেছে। সাকিবের সম্মতি নিয়েই ওয়ানডে–টেস্ট দুই সিরিজেই রাখা হয়েছে সাকিবকে।
তাঁর ক্রিকেট খেলার মতো অবস্থা নেই দাবি করে একটা সমাধানও বাতলে দিয়েছিলেন সাকিব। দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের শুরুতে ওয়ানডে সিরিজটায় যদি ছুটি পান, তাহলে হয়তো ক্লান্তি কাটিয়ে টেস্ট সিরিজে খেলতে পারবেন। পরে ক্রিকেট বোর্ড থেকে লিখিত চাওয়ার পর দুবাই থেকেই সাকিব জানিয়ে দেন, শুধু ওয়ানডে সিরিজ নয়, টেস্ট সিরিজেও তিনি খেলতে চাইছেন না। যার অর্থ, দক্ষিণ আফ্রিকা সফর থেকেই তিনি ছুটি চান।





