২৫শে জুলাই থেকে উন্মুক্ত হয়ে যাচ্ছে ব্রিটেন, পারবে কি স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে ?
সৈয়দ আমিনুর রহমান, ম্যানচেস্টার : দীর্ঘ ৩ মাসের অধিক সময় ধরে একধরনের বন্ধ হয়ে আছে গ্রেট ব্রিটেন। অফিস, আদালত,বিদ্যালয়, জিপি ( ডাক্তার ) সব কিছু চলছে সীমিত আকারে। যদিও গত সপ্তাহে ছোট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে পাব, রেস্টুরেন্ট, চুলকাটার দোকান খুলে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ব্যাংকগুলো এখনো সকাল ১০ থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারী ও আধা সরকারী অফিস এখনো আংশিকভাবে তাদের কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। মূলত বেশীরভাগ কর্মকর্তারা বাসা থেকে ইন্টারনেটে কাজ করে যাচ্ছেন। একইভাবে ব্যাংকসহ বেশীর ভাগ প্রাইভেট কোম্পানী কর্মকর্তারা তাদের কাজ বাসা থেকে চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে সরকারের আগামী পরিকল্পনায় দেখা যাচ্ছে, এ মাসের ২৫ তারিখ থেকে জিম ও ইনডোর স্পোর্টস জোন গুলো খুলে দেওয়া হবে। আর সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। আগস্ট মাসে সকল বিনোদন মূলক প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক অনুষ্ঠানের জায়গাগুলো খুলে দেওয়া হবে। যদিও সরকার বলছে, সব কিছুই নিয়মতান্ত্রিক ভাবে ও নির্দিষ্ট আইনের ভিতর চলতে হবে, অন্যথায় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আইনগত ব্যবস্থা নিবে।
আজ কে সরকার কাউন্সিল কে আরও অধিক ক্ষমতা প্রদান করে বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে। এখন কাউন্সিল সরাসরি আরও কঠোর একশনে যেতে পারবে। যেকোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করলে সাথে সাথে লাইসেন্স বাতিল করে বন্ধ করে দিতে পারবে।
এখন দেখার বিষয় এতো কিছুর পর পরিস্থিতি কতটুকু বদলায়। কারন, ইতিমধ্যে মধ্যবিত্ত শ্রেণীর পিঠ দেয়ালে ঠেকে গিয়েছে। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষের চাকরি চলে যাচ্ছে। অনেক কোম্পানী ও ছোট ব্যবসা বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গুলো তাদের আউটলেট বন্ধ করে ওয়ারহাউজ ভিত্তিক ব্যবসা নীতিতে চলে যাচ্ছে।
এই অবস্থায় বেশী চাপে আছে আমাদের বাংলাদেশি কমিউনিটি। এক সাথে ব্রিটেন ও বাংলাদেশের সাংসারিক দায়িত্ব পালনে প্রচন্ড হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সবকিছুর পরে ও সবার একটাই আশা যদি পরিস্থিতি তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক হয়। যদিও শীতকালীন সময়ের জন্যে এরই মধ্যে উচ্চ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।





