বাবার বাড়ী থেকে ইফতারি পাঠিয়েও শেষ রক্ষা হলোনা শরিফা বেগমের !
সিলেটের ওসমানীনগরে এক গৃহবধুর পিতার বাড়ি থেকে পাঠানো ইফতারীতে স্বামীর জন্য আলাদা সাজানো থাল না থাকার জের ধরে সৃষ্ট পারিবারিক বিরোধ ও ঈদুল ফিতরে নতুন কাপড় না দেয়ায় স্বামী ও শাশুড়ীর নির্যাতনে ৭ মাসের এক অন্তস্বত্তার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গৃহবুধুর স্বামী আরশ আলী ও শাশুড়ী মিনারা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। মারা যাওয়া শরিফা বেগম (২০) নবীগঞ্জ উপজেলার পুটিয়া গ্রামের শাকিম উল্যার ছোট মেয়ে।
থানায় আটককৃত স্বামী ও শাশুড়ির দাবি- পরিবারের সবার অজান্তে শরিফা আত্মহত্যা করেছে। যদিও শনিবার দুপুরে শরিফার স্বামীর বাড়ির নিজ ঘরের বিছানা থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহতের শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলে জানিয়েছে ওসমানিনগর থানা পুলিশ।
এখানে উল্লেখ্য যে, অনেকে এই ইফতারি আর আম-কাঠালি প্রথাকে সিলেটের সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার প্রথা হিসেবে আগলে রাখতে চান। অথচ এই প্রথাগুলো সিলেটে পারিবারিক অশান্তি তৈরি করার অনেকগুলো কারণের মধ্যে অন্যতম একটি কারণ। এগুলো নারীর প্রতি চরম বৈষম্যমূলক একটি যৌতুক প্রথা যার মাধ্যমে আজীবন নারী, তার পিতা মাতা ও পরিবারের উপর মানসিক, আর্থিক ও ক্ষেত্র বিশেষে শারীরিক নির্যাতন। এই প্রথাগুলো বন্ধ করা আবশ্যক এবং আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরী বলে মনে করেন সচেতন মহল।





