মমতা ব্যানার্জি উপর হামলা !
নন্দীগ্রাম থেকে গ্রিন করিডোর তৈরি করে বুধবার রাতে পশ্চিমবঙ্গের আহত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়কে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পাঁচ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করে তার চিকিৎসা শুরু হয়েছে। তার পায়ের এক্সরে করা হয়েছে। মাপা হচ্ছে রক্তচাপ। এমআরআই করা হবে রাতেই।
সন্ধ্যার মুখে মমতা বন্দোপাধ্যায় নন্দীগ্রামের বিলোনিয়া বাজারের কাছে আহত হন। মমতা যখন বিলোনিয়া মন্দিরে পূজো দিয়ে ফিরছিলেন তখন কয়েকজন যুবক তাকে ধাক্কাধাক্কি করে এবং তার পায়ের ওপর জোর করে গাড়ির দরজা বন্ধ করে দেয়। মুখ্যমন্ত্রী পায়ে এবং বুকে চোট পান পড়ে গিয়ে। তিনি যন্ত্রণায় কাতরাতে থাকেন। এরপরই মমতাকে কলকাতায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
মমতা বন্দোপাধ্যায় বলেন, তাকে আক্রমণ করা হয়। সেইসময় নির্বাচন কমিশনের আওতায় থাকা পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কোনও সুরক্ষা বলয় ছিল না বলে মমতা অভিযোগ করেন। রাতেই এসএসকেএম হাসপাতালে মমতাকে দেখতে যান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখর। হাসপাতালে উপস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের সমর্থকরা রাজ্যপালের বিরুদ্ধে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেন।
এদিন এই ঘটনার পর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অবরোধ – বিক্ষোভ শুরু হয়। বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ও বিজেপি নেতা কৈলাশ বিজয়বর্গিও এই ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে বলেছেন, তাহলেই দুধ কা দুধ, পানি কা পানি নির্ধারিত হবে। বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং ঘটনাটিকে সাজানো দাবি করে বলেছেন, মমতা বন্দোপাধ্যায় মিথ্যা কথা বলছেন। নন্দীগ্রামে হারবেন বলে নাটক করছেন। তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপির এই জাতীয় বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বলেছে, বিজেপি কতটা নিচু মনের তা এইসব কথাবার্তা থেকেই বোঝা যায়। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, আক্রমণের পেছনে আছে বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব মমতা বন্দোপাধ্যায়ের মতো নেত্রীকে সুরক্ষা বলয়ে রাখা। তারাও ব্যর্থ হয়েছে বা ইচ্ছাকৃত ব্যর্থতা দেখিয়েছে। হাসপাতালে অভিষেক বন্দোপাধ্যায়, ফিরহাদ হাকিম এবং অরূপ বিশ্বাস উপস্থিত ছিলেন।।





