#আন্তর্জাতিক

ট্রাম্প অনেকটা ভালো তবে শঙ্কামুক্ত নন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। তবে হোয়াইট হাউসের চিকিৎসক বলেছেন, তিনি বিপদমুক্ত নন। এদিকে শনিবার ট্রাম্প হাসপাতাল থেকে পোস্ট করা এক ভিডিওতে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতির কথা জানিয়েছেন। তিনি শিগগিরই প্রচারণার মাঠে ফিরবেন বলেও আশা করেন।
তবে তিনি এও স্বীকার করেন, আগামী কয়েক দিন হবে খুবই কঠিন সময় এবং এ সময়টাই হবে আসল পরীক্ষা। বাসসের ওয়াশিংটনের কাছে ওয়ালটার রিড মিলিটারি মেডিকেল সেন্টার থেকে ট্রাম্প আরও বলেন, ভালো বোধ করিনি বলেই এখানে এসেছি। এখন অনেক ভালো আছি। তিনি আরও বলেন, আমাকে সুস্থ করতে সবাই প্রাণান্ত চেষ্টা করে যাচ্ছেন। আমি মনে করি শিগগিরই প্রচারণার কাজে ফিরে যেতে পারব। যেভাবে শুরু করেছিলাম সেভাবেই শেষ করতে পারব।

কিন্তু শনিবার রাতে হোয়াইট হাউসের ডা. সিন কনলে বলেন, ট্রাম্প এখনও বিপদমুক্ত নন। তবে ডাক্তাররা সতর্ক আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। এদিকে অপর ডা. সিন ডুলে বলেছেন, প্রেসিডেন্টের হার্ট, কিডনি ও লিভার স্বাভাবিক আছে। হাসপাতালে নেয়ার আগে হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পকে অক্সিজেন দিতে হয়েছিল বলে বিভিন্ন মার্কিন সংবাদমাধ্যমে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তার ভিত্তিতে কনলে বলেন, হাসপাতাল কিংবা অন্যত্র কোথাও ট্রাম্পকে অক্সিজেন দিতে হয়নি।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ও তার স্ত্রী মেলানিয়ার শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হাসপাতাল থেকেই প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করছেন। মেরিল্যান্ডের ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে চিকিৎসা নেয়ার পাশাপাশি সেখানেই অফিস করছেন তিনি। শনিবার সেখানে তার দায়িত্ব পালনরত অবস্থার দুইটি ছবি প্রকাশ করেছে হোয়াইট হাউস। রোববার এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম।

সস্ত্রীক করোনায় আক্রান্ত ট্রাম্পকে গত শুক্রবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরদিন শনিবার সেখান থেকেই টুইটারে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় নিজের শারীরিক অবস্থা নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘মনে হচ্ছে পুরোপুরি ঠিক আছি। সবাইকে ধন্যবাদ আর ভালোবাসা।’ যে ডেস্কে বসে ট্রাম্প ভিডিও বার্তা দিয়েছিলেন হোয়াইট হাউসের প্রকাশিত ছবি দুটির একটি ওই ডেস্কের বলে জানিয়েছে সিএনএন। প্রকাশিত ছবিগুলোর একটিতে ট্রাম্পকে বসে থাকতে দেখা গেছে। আরেকটিতে তাকে কিছু লিখতে বা স্বাক্ষর করতে দেখা গেছে। তবে দুই ছবির একটিতেও তাকে মাস্ক পরতে দেখা যায়নি।

সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানিয়েছে, বাড়তি সাবধানতার অংশ হিসেবেই ট্রাম্পকে ওয়াল্টার রিড ন্যাশনাল মিলিটারি মেডিকেল সেন্টারে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন হোয়াইট হাউসের কর্মকর্তারা। এটি যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ও স্বনামধন্য সামরিক হাসপাতালগুলোর একটি। মার্কিন প্রেসিডেন্টরা সাধারণত এখানেই তাদের বার্ষিক চেকআপ করিয়ে থাকেন। সেখানে ট্রাম্প অতিরিক্ত অক্সিজেন ছাড়াই ভালো আছেন। তাকে রেমডেসিভিরের প্রথম ডোজ দেয়া হয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *