সোমালিয়ায় হোটেলে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ৮ ।
সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুর একটি হোটেলে সশস্ত্র গোষ্ঠী আল-শাবাবের হামলায় অন্তত আটজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার নিরাপত্তা কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।
পুলিশ বলছে, হামলাকারীরা হোটেলে ঢোকার আগে দুটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায় এবং এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে।
হামলা শুরু হওয়ার ঘণ্টাখানেক পর দুর্বৃত্তরা হোটেল হায়াতের উপরের তলায় লুকিয়ে আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হোটেল থেকে ডজনের বেশি অতিথি ও কর্মী উদ্ধার করেছে পুলিশের বিশেষ ইউনিট।
মোহাম্মদ আবদিকাদির নামের এক কর্মকর্তা বলেন, নিরাপত্তা বাহিনী সন্ত্রাসীদের প্রতিরোধের চেষ্টা করে যাচ্ছে, যারা হোটেলের একটি রুমে লুকিয়ে রয়েছে। অধিকাংশ মানুষকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে আটজন মারা গেছেন।
আল-শাবাব সংশ্লিষ্ট একটি ওয়েবসাইটে বলা হয়, সশস্ত্র একটি দল হোটেলে ‘জোরপূর্বক প্রবেশ’ প্রবেশ করে এবং ‘এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়েছে’।
হায়াত হোটেল সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য জনপ্রিয় গন্তব্য।
মোগাদিশুর আমিন অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের প্রধান আবদিকাদির আবদিরাহমান রয়টার্সকে বলেন, হামলায় আরও নয়জন আহত হয়েছেন। তাদের হোটেলের বাইরে নেওয়া হয়েছে।
এক পুলিশ কর্মকর্তা রয়টার্সকে বিবৃতিতে বলেন, হোটেল হায়াত লক্ষ্য করে দুটি কার বোমা হামলা হয়েছে। একটি হোটেলের কাছে নিরাপত্তা চৌকিতে আঘাত হানে এবং অপরটি আঘাত হানে হোটেলের প্রধান ফটকে। আমাদের মনে হচ্ছে, সশস্ত্র ব্যক্তিরা এখনও হোটেলের মধ্যেই রয়েছেন।
সোমালিয়ার প্রেসিডেন্ট হিসেবে হাসান শেখ মুহাম্মদ দায়িত্ব নেওয়ার পর মোগাদিশুতে শুক্রবার প্রথমবারের মতো হামলা চালাল আল-শাবাব। হাসান নির্বাচিত হয়েছিলেন মে মাসে।
আল কায়েদার শাখা আল শাবাব দীর্ঘদিন ধরে সরকারের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে আসছে। এ গোষ্ঠী দক্ষিণ ও মধ্য সোমালিয়ার অধিকাংশ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। সাম্প্রতিক সময়ে আল-শাবাব সংশ্লিষ্ট কিছু সশস্ত্র ব্যক্তি সোমালিয়া-ইথিওপিয়া সীমান্তে হামলা চালায়। এটি আল-শাবাবের নতুন কৌশল হতে পারে, যা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
তথ্যসূত্র : বিবিসি।





