তরুণ কমিউনিস্ট নেতা কানহাইয়া যোগ দিলেন কংগ্রেসে।
তরুণ বামপন্থী নেতা হিসেবে শুধু ভারত সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আলোড়ন তুলেছিলেন কানহাইয়া কুমার। যার বক্তৃতা শুনে অসংখ্য মানুষ অনুপ্রেরণা পেতেন। সেই কানহাইয়া কুমার যোগ দিয়েছেন কংগ্রেসে। মঙ্গলবার বিকালে নয়াদিল্লিতে গিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। যদিও সিপিআই নেতৃবৃন্দ আশা করেছিলেন, কানহাইয়া তার সিদ্ধান্ত বদলাবেন। কিন্তু তাদের সেই আশা হতাশায় পরিণত হয়েছে।
ভারতের মিডিয়াগুলো জানিয়েছে, কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার আগে পটনার সিপিআই দলীয় কার্যালয়ে নিজের ঘর থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র (এসি) খুলে নিয়ে গিয়েছেন কানহাইয়া কুমার। বামপন্থী দলের নেতা হয়েও তিনি নিজ খরচে দলীয় কার্যালয়ে এসি লাগিয়েছিলেন ।এই ঘটনায় বিহারের সিপিআই সাধারণ সম্পাদক রামনরেশ পাণ্ডে বলেন, ‘আমরা আপত্তি করিনি। কারণ ওই এসি নিজের টাকায় বসিয়েছিলেন কানহাইয়া। সেটা খুলে নেওয়ায় আপত্তি করব কেন?’
জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় (জেএনইউ)-এর শিক্ষার্থী সংসদের সাবেক সভাপতি কানহাইয়া দল ছাড়ার সময় সিপিআইয়ের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য ছিলেন। পার্টির কাঠামোতে যা সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারক সমিতি হিসেবে বিবেচিত হয়। প্রথমে মনে করা হয়েছিল, মঙ্গলবার কানহাইয়ার সঙ্গে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন গুজরাটের নির্দলীয় বিধায়ক জিগ্নেশ মেবাণী। কানহাইয়ার যোগদান সভাতেও তাকে দেখা যায়। কিন্তু পরে জানা যায়, জিগ্নেশ কংগ্রেসে যোগ দেননি।
কানহাইয়া কুমার ভারতের জাতীয় পর্যায়ে খুব জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ। তুখোর বক্তা হিসেবেও খ্যাত। তিনি যে কংগ্রেসে যোগ দেবেন এটা তার দলের লোকেরাই বিশ্বাস করেনি। কংগ্রেসে যোগদানের আগমুহূর্তেও বিহারের সিপিআই সাধারণ সম্পাদক রামনরেশ বলেছিলেন, ‘আমি এখনও আশাবাদী কানহাইয়া কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বদলাবেন। কারণ কানহাইয়া একজন বামপন্থী মানসিকতার মানুষ। এবং এই ধরনের মানুষ নিজের মতে অটল থাকবেন, সেটাই স্বাভাবিক।’
তথ্যসূত্রঃ ইন্ডিয়া টুডে।





