#আন্তর্জাতিক

ইয়াঙ্গুন বিমানবন্দর বন্ধ করে দিয়েছে মিয়ানমার।

সামরিক অভ্যুত্থানের পর মঙ্গলবার মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বিমানবন্দরের ম্যানেজার ফোন মিন্ট এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে তিনি বলেন, আগামী মে পর্যন্ত বিমানবন্দরটি বন্ধ থাকবে। তবে কোনো নির্দিষ্ট তারিখ তিনি উল্লেখ করেননি।

দেশটির সংবাদপত্র মিয়ানমার টাইমস জানিয়েছে, ত্রাণের বিমানসহ সব ধরনের বিমানের অবতরণ ও উড্ডয়নের অনুমতি আগামী ৩১ মে রাত বারটা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হয়েছে।

সোমবার সকালে এক বছরের জরুরি অবস্থা জারি করে ক্ষমতা গ্রহণ করেছে দেশটির সেনাবাহিনী। ক্ষমতাসীন দল ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) প্রধান অং সান সু চি, দেশটির প্রেসিডেন্ট উইন মিন্টসহ বেশ কয়েকজনকে আটকের পর পরই জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।

গত নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচনের ফলাফলকে জালিয়াতি বলে উল্লেখ করেই মূলত ক্ষমতা দখল করেছে সেনাবাহিনী। কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লেইংয়ের কাছে দেশের ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়েছে।

জরুরি অবস্থার মধ্যেই রাজধানী নেইপিদোতে মোবাইল ফোন ও রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এবং রেডিওর প্রচার বন্ধ করে দেয়া হয়। তবে সামরিক বাহিনী নিয়ন্ত্রিত টেলিভিশন মায়াবতির সম্প্রচার চালু রয়েছে। সোমবার সেনাবাহিনীর ক্ষমতা গ্রহণের বিষয়টি মায়াবতির মাধ্যমে সম্প্রচার করা হয়েছে। টেলিভিশনের এক বিবৃতিতে জানানো হয় যে, কমান্ডার-ইন-চিফ মিন অং হ্লেইং দেশের ক্ষমতা গ্রহণ করেছেন।

এদিকে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখলের প্রথমে দিনেই অং সান সু চির সরকারের অধিকাংশ মন্ত্রীকে বরখাস্ত করে নতুন লোক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন মন্ত্রীদের অধিকাংশই জ্যেষ্ঠ সেনা কর্মকর্তা। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং বিবিসি বার্মিজ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সু চি সরকারের অন্তত ২৪ জন মন্ত্রী, উপমন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রীকে বরখাস্ত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে নতুন ১১ মন্ত্রীকে। নতুন মন্ত্রীদের মধ্যে বেশ কয়েকজনই সেনাসমর্থিত দল ইউএসডিপির সদস্য।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *