মূর্তিমান আতংক ম্যানচেস্টারের ব্রিনিংটন এলাকা !
চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি, ভাংচুর সহ হেন কোন অসামাজিক কর্মকান্ড নেই যা ব্রিনিংটন এলাকায় ঘটে না। স্টকপোর্ট বারার এই এলাকাটি অপরাধীদের স্বর্গ রাজ্যে পরিণত হয়েছে। অতিষ্ট এলাকাবাসী কর্তৃপক্ষের নিকট বার বার ধর্ণা দিয়েও কোন ফল পাচ্ছেনা।
গ্রেটার ম্যানচেস্টারের কিছু কিছু এলাকায় অপরাধের মাত্রা বিগত কয়েক বছরে উর্ধমুখী হলেও ব্রিনিংটন সবচেয়ে খারাপ অবস্থানে আছে। গত কয়েকমাসে কমপক্ষে হাজারখানিক ছোট বড় অপরাধ সংঘটিত হয়েছে বলে জানিয়েছে গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ। বেশিরভাগ অপরাধের সাথেই কিশোর গ্যাংদের একটা বৃহৎ অংশ জড়িত।
স্থানীয়দের মতে, গত ছয়মাস ধরে এলাকায় প্রতিদিন কোন না কোন অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। চুরি, ছিনতাই, রাহাজানি, ভাংচুর সহ হেন কোন অসামাজিক কর্মকান্ড নেই যা হচ্ছেনা। ঘরে মানুষ থাকা অবস্থায় গার্ডেন বা ড্রাইভওয়ে থেকে গৃহস্থালি জিনিস নিয়ে যাচ্ছে। খালি ঘরের তালা ভেঙে আসবাবপণ্য চুরি হচ্ছে। দোকান থেকে মালামাল নিয়ে দৌড়ে পালাচ্ছে। রাতে কাউকে একা পেলে মোবাইল টাকা পয়সা ছিনিয়ে নিচ্ছে। পার্সেল ডেলিভারী করতে আসা ভ্যান থেকে জিনিস চুরি হচ্ছে। পরিস্থিতি এমন দাঁড়িয়েছে যে, প্রাইভেট পার্সেল বা পণ্য ডেলিভারী কোম্পানীগুলি ব্রিনিংটন এলাকায় পণ্য সরবরাহ করতে অস্বীকৃতি জানাচ্ছে। এলাকাবাসী সন্ধ্যার পর ঘর হতে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। স্থানীয় লোকজন বার বার প্রশাসনকে অবহিত করেও তেমন কোন ফল পাচ্ছেন না।
এদিকে, গ্রেটার ম্যানচেস্টার পুলিশ বলছে যে তারা ব্রিনিংটনে নজরদারি বাড়িয়েছে। অপরাধের সংখ্যা কমাতে তারা সচেষ্ট, পাশাপাশি অপরাধীদের ধরতেও তারা সর্বাত্মক চেষ্ঠা চালিয়ে যাচ্ছে।





