গ্রেটার ম্যানচেস্টারের ২৩০টি স্কুল করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত।
সেপ্টেম্বরের ৩ তারিখ হতে স্কুল খোলে দেয়ার পর থেকে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের এখন পর্যন্ত ২৩০টি স্কুলে নিশ্চিতভাবে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী পাওয়া গেছে।
রিসেপশন, নার্সারী, প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি মিলিয়ে ২৩০টি স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, শিক্ষীকা ও অন্যান্য স্টাফদের মধ্যে এই ভাইরাস দেখা গেছে। আক্রান্ত স্কুলগুলির নিৰ্দিষ্ট কিছু ক্লাসের সকল শিক্ষার্থী ও কর্মীদেরকে ১৪ দিনের সেলফ আইসোলেশনে পাঠানো হয়েছে। কোন কোন স্কুলের দুই তৃতীয়াংশ ছাত্র ছাত্রীকে আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। সালফোর্ডের গোটা একটি প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষার্থী ও স্টাফদের গতকাল সেলফ আইসোলেশনে পাঠানো হয়।
স্কুল খোলার আগে থেকেই সরকার নির্দেশিত সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার পরেও কোন ভাবে রোধ করা যাচ্ছেনা কভিড – ১৯ এর সংক্রামন। দিন দিন বেড়েই চলেছে।
এদিকে, করোনা ভাইরাস টেস্ট নিবন্ধনের জন্য নির্ধারিত ওয়েব সাইটটি পুনরায় কার্য ক্ষমতা ফিরে পেলেও অত্যাধিক রোগীর চাপে হিমশিম খাচ্ছে। সেপ্টেম্বরের প্রথম দুই সপ্তাহ কারিগরি ত্রুটির কারণে যারা টেস্ট করাতে পারেননি, তারা এখন ব্যস্ত হয়ে বুকিং নেয়ার চেষ্ঠা করছেন। পাশাপাশি প্রতিদিন নতুন নতুন রোগী সংযোজন হওয়ার ফলে বুকিং প্রত্যাশীদের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ফলে অনেককে দীর্ঘ অপেক্ষায় পড়তে হচ্ছে।
সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী কেউ সেলফ আইসোলেশনে গেলে তাকে ১৪ দিন পর কভিড – ১৯ টেস্ট করিয়ে নেগেটিভ ফলাফল আসলেই কেবল মাত্র যে যার যার কর্মস্থলে বা স্কুলে ফিরতে পারবেন। ফলে অনেকেই ১৪ দিন পার হয়ে যাওয়ার পরও ঘরে বসে আছেন।





