#গ্রেটার ম্যানচেস্টার

গ্রেটার ম্যানচেস্টারের লক ডাউন পরিস্থিতি অনিস্চিত।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ডাউনিং স্ট্রিটে পূর্ব নির্ধারিত সভায় বসেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক, পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের উর্ধতন কর্মকর্তা এবং গ্রেটার ম্যানচেস্টার কম্বাইন্ড অথরিটির পক্ষে ম্যানচেস্টার মেয়র এন্ডি বারহাম, ডেপুটি মেয়র বেভারলি হিউজ ও স্যার রিচার্ড লিস। প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত নতুন টায়ার -৩ লক ডাউন ব্যবস্থায় গ্রেটার ম্যানচেস্টারকে ‘ভেরি হাই রিস্ক ’ হিসেবে ঘোষণার যে গুজব শুনা যাচ্ছিলো, সেই বিষয়েই আলোচনা করতে বসেছিলেন দুই পক্ষ। করোনা ভাইরাস সংক্রামণের সংখ্যা বিবেচনা করে সরকার চাচ্ছে গ্রেটার ম্যানচেস্টারকে সর্বোচ্চ লক ডাউন বিধি অর্থাৎ টায়ার -৩ ঘোষণা করতে, অপরদিকে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের প্রতিনিধিরা তা মানতে নারাজ। দুপুর পর্যন্ত চলা এই সভা সিদ্ধান্তহীন ভাবেই মুলতবি হয়।

বিকেল ৩:৩০ মিনিটে আবারো বৈঠকে বসেন দুই পক্ষ। কিন্তু এবারো কোন সিদ্ধান্ত ছাড়া শেষ হয় সভা।

পরে এক বিবৃতিতে মেয়র এন্ডি বারহাম বলেন, আমরা সরকারের নতুন লক ডাউন সিন্ধান্ত মেনে নিতে পারছিনা, কারণ এতে সুস্পষ্ট ভাবে কোন আর্থিক প্রণোদনার কথা বলা নেই। বিগত ৭ মাসে এই রিজোনের ব্যবসা বাণিজ্য প্রায় ধ্বংস হয়ে গেছে বলা চলে। কর্মহীন বেকারত্বের সংখ্যা সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। সামাজিক ও আর্থিক সুবিধা বঞ্চিত মানুষের দুর্ভোগ চরমে এসে ঠেকেছে। এই অবস্থায় যদি টায়ার-৩ লক ডাউন দেয়া হয় তবে, করোনা মহামারী থেকে মানুষ না খেয়েই মারা যাবে।

বর্তমানে যে টায়ার -২ লক ডাউন চলছে, তাতে অধিকাংশ মানুষ কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতে পারছে। পাব, রেস্তুরা, বার সমূহ বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাচ্ছে। বিভিন্ন পার্টি সেন্টারগুলি সীমিত আকারে ব্যবসা করতে পারছে। জিম সহ অন্যান্য ক্রীড়া সুবিধা সমূহ স্বল্প পরিসরে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু টায়ার -৩ লক ডাউন যদি আসে, তবে এই সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলিকে অনির্দিষ্টকালের জন্যে বন্ধ করে দিতে হবে। এতো সব প্রতিষ্ঠান ও কর্মহীন লক্ষ মানুষের কি হবে, সেই বিষয়ে সরকার পরিষ্কার করে কিছু বলছে না ? যতক্ষণ না আমরা কোন সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা পাচ্ছি ততক্ষন পর্যন্ত সরকারের সাথে দেন দরবার চালিয়েই যাবো।

এদিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ম্যাট হ্যানকক বলেন, গ্রেটার ম্যানচেস্টারের প্রতিনিধিরা বিষয়টিকে রাজনৈতিক কূট কৌশল হিসেবে ব্যবহার করার চেষ্ঠা করছেন। সরকার সবার স্বাস্থ্য ঝুঁকি বিবেচনা করেই লক ডাউন সিধান্ত নিতে যাচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *