#গ্রেটার ম্যানচেস্টার

স্টকপোর্ট বারায় নতুন লক ডাউন নীতি ঘোষণা।

করোনা মহামারী শুরুর পর থেকে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের ১০টি বারার মধ্যে স্টকপোর্টের অবস্থান কিছুটা ভালো থাকলেও, এখন পরিস্থিতি বদলে গেছে। পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের নতুন তথ্য অনুযায়ী, এই বারায় গত দুই সপ্তাহে আশংকাজনকভাবে কভিড -১৯ এ আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে গেছে। বর্তমানে স্টকপোর্টে প্রতি এক লাখ মানুষের মধ্যে ১০০ জন কভিড -১৯ এ আক্রান্ত। এই রিজনের অন্যান্য বারার তুলনায় এই হার বেশি না হলেও, জাতীয় পরিমাপে অনেক বেশি।

স্টকপোর্ট কাউন্সিলের কাউন্সিলার ডেভিড মেলার বলেন , বিগত ছয় সপ্তাহ যাবৎ স্টকপোর্ট বারা জাতীয় লক ডাউন নীতির অধীনে ছিলো। করোনা ভাইরাসের সংক্রামণের সংখ্যা তুলনামুলুক ভাবে কম থাকায় স্টকপোর্টকে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের স্থানীয় লক ডাউন নীতির বাইরে রাখা হয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, গত দুই সপ্তায় সংক্রামিতের সংখ্যা প্রতি লাখে ১০০ ছোঁয়াচে, যা সাধারণের থেকে অনেক বেশি। উপায়ান্তর না দেখে কাউন্সিল সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, পুরো বারাকে স্থানীয় লক ডাউনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) মধ্যরাত থেকে এই লক ডাউন কার্যকর হবে। কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষিত নতুন লক ডাউন বিধি নিষেধের উপর স্টকপোর্ট বারা তাদের নিজস্ব আরো কিছু কঠোর নিয়ম নীতি যুক্ত করেছে।

স্টকপোর্ট বারার লক ডাউন বিধি নিষেধের মধ্যে যা থাকছে :

১. নিজের ঘরে বা আঙ্গিনায় বহিরাগত কাউকে আমন্ত্রণ জানানো যাবেনা, যদিনা তারা সাপোর্ট বাবলের অংশ হয়ে থাকে।

২. বিশেষ পরিস্থিতি বিবেচনায় বহিরাগত কেউ কেউ আসতে পারবে ঘরে। এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা কাউন্সিলের ওয়েব সাইটে দেয়া আছে।

৩. নাইট ক্লাব ও ডান্স ফ্লোর বন্ধ থাকবে।

৪. বহিরাগত কারোর সাথেই ঘরের বাইরে কোন জায়গায় (রেস্তোরাঁ, পাব, কমিউনিটি সেন্টার ইত্যাদি ) দেখা করা যাবেনা।

৫. বৃদ্ধাশ্রম বা কেয়ার হোমে দেখা করতে যাওয়া যাবেনা ( বিশেষ অনুমতি ছাড়া ) ।

৬. গণপরিবহনে মাস্ক পড়া বাধ্যতামূলক। বহিরাগত কাউকে নিজের গাড়িতে তোলা যাবেনা।

এছাড়া, বাদ বাকি লক ডাউন নীতি কেন্দ্রীয় সরকারের
ঘোষণা অনুযায়ীই বলবৎ থাকবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *