#গ্রেটার ম্যানচেস্টার

ম্যানচেস্টারে ঈদ উল আযহা উৎযাপন।

যথাযত ধর্মীয় ভাব গম্ভীর্যের মধ্যে দিয়ে পৃথিবীর অন্যান্য স্থানের মত গ্রেটার ম্যানচেস্টারেও পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদ উল আযহা। গত বৎসর করোনা মহামারির কারণে ঈদের জামাত থেকে বঞ্চিত হওয়া মুসল্লিরা বেশ উৎসাহ নিয়েই পালন করছেন এবারের ঈদ।

সোমবার (১৯ জুলাই) থেকে যুক্তরাজ্যে পুরোপুরিভাবে লকডাউন তুলে নেয়া হয়। করোনা কালিন স্বাস্থ্য-বিধি সম্পর্কে যত নিষেধাজ্ঞা ছিলো, তা আর কোনটাই বলবৎ নয়। যদিও প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সকলের প্রতি অনুরোধ করেছেন মাস্ক ও নূন্যতম স্বাস্থ্য-বিধি সম্ভব হলে মেনে চলার জন্যে, তবে আইনি শিথিলতার জন্যে এর প্রয়োগ প্রায় উঠে গেছে বললেই চলে।

ব্যতিক্রম দেখা গেলো ম্যানচেস্টারের লেভেনজুমে অবস্থিত মদিনা মসজিদে। সকাল ৬:৩০ মিনিটে ঈদের প্রথম জামাত পড়তে গিয়ে এই প্রতিবেদক আবিষ্কার করলেন, মসজিদ কমিটি এখনো সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই মুসল্লিদের বসার ব্যবস্থা রেখেছেন। পাশাপাশি সকল মুসল্লিদের প্রবেশ পথে বিনামূল্যে মাস্ক ও কাগজের জায়নামাজ বিতরণ করছেন। এই বিষয়ে মসজিদ কমিটির একজনের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, তারা এখনো মাস্ক পরিধান ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছেন। সরকারিভাবে কোন বাধ্যবাধকতা না থাকলেও, বাড়তি সংক্ৰমণকে মাথায় রেখে তারা এই ব্যবস্থা নিয়েছেন।

এই বিষয়ে মুসল্লিদের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে হাই স্কুল শিক্ষক জনাব সৈয়দ ওয়াজি মাহমুদ বলেন, ‘লকডাউন উঠে গেলেও করোনার প্রকোপ এখনো কমেনি। সারা বিশ্বে নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্টের উদ্ভব সত্যিই আতঙ্কের বিষয়। যুক্তরাজ্যেও নতুন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা নেহাৎ কম নয়। এ অবস্থায় মদিনা মসজিদ কমিটি যে সংক্রামন রোধে যথাযত ব্যবস্থা নিয়েছেন, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।’

গ্রেটার ম্যানচেস্টারের অন্যান্য মসজিদগুলিও একই ধরণের সুরক্ষা বলয় তৈরী করবেন বলে আমরা ধারণা করছি। আল্লাহ পাকের সন্তুষ্টি লাভের পাশাপাশি আত্মরক্ষার পথও সুগম হবে, এই প্রত্যাশাই ছিলো সকলের মাঝে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *