গ্রেটার ম্যানচেস্টারের ১০টি বারাই এখন রেড জোনে।
সম্পাদকীয় :
করোনা মহামারীর শুরু পর থেকে এই প্রথমবারের মতো গ্রেটার ম্যানচেস্টারের ১০টি বারাই রেড জোনে পৌঁছেছে।
পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ডের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই সপ্তাহান্তে সব কটি বারাই কভিড -১৯ সংক্রামণের হার অনুপাতে রেড জোনে অবস্থান করছে। বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত স্টকপোর্ট ও ট্রাফোর্ড বারা সর্বনিম্ন কভিড -১৯ রোগী নিয়ে এম্বার জোনে ছিলো, শুক্রবারের প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী এই দুটি বারাও এখন রেড জোনে।
এই রিজনে করোনা ভাইরাসের সংক্রামণের সংখ্যা খুব দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গত ৩০শে জুলাই হতে গ্রেটার ম্যানচেস্টারে সাধারণ লক ডাউন ঘোষণা করা হলেও সংক্রামণের হার খুব একটা রোধ করা যায়নি। উপরন্তু, সংক্রামিতের হার আশংকাজনক ভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রথমে ওল্ডহ্যাম এবং পরে বলটনকে সর্বোচ্চ লক ডাউনের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হয়, যা এখনো বলবৎ আছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আগস্টের সরকার প্রনোদিত ৫০ শতাংশ মূল্যহ্রাসে রেস্তোরাঁয় খাবার গ্রহণের সুযোগ করে দেওয়া এবং সেপ্টেম্বরে ঢালাও ভাবে স্কুল খুলে দেওয়া, এই আকস্মিক করোনা ভাইরাস সংক্রামন বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।
সরকার ইতি মধ্যেই করোনা মহামারীর দ্বিতীয় তরঙ্গ আসছে বলে হুঁশিয়ার করে দিয়েছে এবং প্রয়োজনবোধে সমস্ত যুক্তরাজ্যকে আবারো লক ডাউনের আওতায় নিয়ে আসা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছে।
আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি না হলে দেশ জুড়ে আবারো লক ডাউন অবধারিত হয়ে পড়বে। ব্যবসাহী মহলে ইতি মধ্যেই আতংকের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। গত লক ডাউনে অগণিত ছোট বড় বাণিজ্য কেন্দ্র বিলীন হয়ে গেছে। যারা পূর্বের ধাক্কা সয়ে নিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়াবার চেষ্টা করছেন, তাদের আশংকা দ্বিতীয় লক ডাউনে আর অস্তিত্ব থাকবেনা। গত ছয় মাসে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষ কর্মহীন হয়েছেন। নতুন করে লক ডাউন আসলে এর সংখ্যা দ্বিগুন হবার সম্ভাবনা।





