সরবরাহ বাড়লেও এখনো সংকট কাটেনি ভোজ্য তেলের।
চট্টগ্রামের পাইকারি বাজার খাতুনগঞ্জে সয়াবিন ও পাম, দুই ধরনের তেলের সরবরাহ বেড়েছে। তবে খুচরা বাজারে গতকাল শনিবারও তেলের সংকট ছিল। সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, গতকাল থেকে বাজারে তেল সরবরাহ শুরু হয়েছে। খুচরা বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরো দু-এক দিন লাগবে। তেলের পর্যাপ্ত মজুদ আছে।
মূল্য সমন্বয়ের পর রাজধানীর বাজারগুলোতে ক্রেতারা তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন। দোকানদাররা বলছেন, সরবরাহ কম থাকায় ঈদের আগে থেকে চলা সংকট শেষ হয়নি। এ ছাড়া বৃহস্পতি, শুক্র ও শনিবার ব্যাংক বন্ধ থাকায় মিলগুলোতে চাহিদাপত্রের (ডিও) অর্ডার দেওয়া সম্ভব হয়নি। আজ রবিবার ব্যাংক খুললে এই সমস্যাও কেটে যাবে।
খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, ‘আমরা অপেক্ষায় আছি।
ডিস্ট্রিবিউটরদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁরা আমাদের বলেছেন দ্রুতই তেল পাবেন।’ তবে ডিস্ট্রিবিউটররা বলছেন, আজ থেকে দোকানে তেল দিতে পারেন।’
সিটি গ্রুপের পরিচালক (করপোরেট ও রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স) বিশ্বজিৎ সাহা বলেন, ‘আজ (গতকাল) থেকেই নতুন দরের তেল বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে। ট্রাকে করে দোকানে দোকানে তেল দেওয়া হচ্ছে। আমরা বাজারে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল সরবরাহ করব। আশা করছি, দু-এক দিনের মধ্যেই সংকট কেটে যাবে। ’
গত বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে দেশের বাজারেও ভোজ্য তেলের দাম সমন্বয় করে বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৩৮ টাকা বাড়িয়ে ১৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এই দাম গতকাল থেকে কার্যকর হয়েছে। নতুন দাম অনুযায়ী পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হবে ৯৮৫ টাকায়। খোলা সয়াবিন তেল এক লিটার ১৮০ টাকা এবং পাম তেল এক লিটার বিক্রি হবে ১৭২ টাকায়।





