রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন এখন অনেকটাই অনিশ্চিত।
সেনাবাহিনী মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করায় দেশটির সঙ্গে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের যে আলোচনা চলছিল তা বাধাগ্রস্ত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চলতি মাসের শুরুতে দুই দেশের মধ্যে ওয়ার্কিং কমিটির যে বৈঠকের কথা ছিল তা অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
মঙ্গলবার বিকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন জানান, মিয়ানমারের নতুন সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক কোনো যোগাযোগ হয়নি।
তিনি বলেন, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতে ৪ ফেব্রুয়ারি যৌথ ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর তা অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
তবে পররাষ্ট্র সচিব আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘সরকারে যারাই থাকুক, প্রত্যাবাসন পরিকল্পনা আগের মতোই এগোবে।আগের পরিকল্পনা ধরেই সংকটের সমাধান চায় ঢাকা।’
সোমবার (১ ফেব্রুয়ারি) মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতি উইন মিন্ট ও ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী অং সান সু চিকে গ্রেফতার করে দেশটির সেনাবাহিনী। এরপর দেশটিতে এক বছরের জন্য জারি করা হয় জরুরি অবস্থা।
২০১৭ সালের আগস্টে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর নির্যাতন ও অভিযানের পর থেকে প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়।





