#দেশের খবর

ঘন কুয়াশায় কারণে শাহজালাল বিমানবন্দরে ফ্লাইট বাতিল।

ঘন কুয়াশার কারণে ভিজিবিলিটি কম থাকায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায়ই ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। গত এক সপ্তাহে অন্তত ৩০-৩৫টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে বলে জানায় বিমানবন্দর সূত্র।

জানা যায়, ভিজিবিলিটি ৪শ মিটারের নিচে নামলে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্লেন উড্ডয়ন ও ৬শ মিটারের নিচে নামলে প্লেন অবতরণ বন্ধ হয়ে যায়। গত কয়েকদিন ধরে ভিজিবিলিটি কমে এসেছে। এতে বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামা বিঘ্ন হচ্ছে। ফলে গত এক সপ্তাহে ফ্লাইট বাতিলের সংখ্যা বেড়েছে।

বিমানবন্দর সূত্র জানায়, শীতের শেষ বেলায় ঘন কুয়াশা বাড়ায় শুক্রবার (২৯ জানুয়ারি) সকাল পৌনে ৯টা পর্যন্ত প্রায় ৭ ঘণ্টা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্লেনন ওঠানামা বন্ধ থাকে।

এয়ার অ্যারাবিয়ার রাত ২টার ফ্লাইট খারাপ আবহাওয়ার কারণে বাতিল করা হয়। এছাড়া ঘন কুয়াশায় ইন্দোনেশিয়ার গারুদা এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট ঢাকায় অবতরণ করতে না পেরে দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণে বাধ্য হয়। এছাড়াও সূচি পরিবর্তন করা হয়েছে আরও চারটি ফ্লাইটের। হঠাৎ ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিপাকে পড়েন কয়েকশ যাত্রী।

এর আগের দিন বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চারটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।

তথ্য বলছে, ঘুন কুয়াশায় গত ২২ জানুয়ারি ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে ইউএস-বাংলার আটটি, নভোএয়ারের চারটি ও বিমানের কয়েকটি ফ্লাইট বাতিল করা হয়।

এদিকে ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের বিদেশগামী যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। আগে থেকে ফ্লাইটের সময় পরিবর্তনের খবর জানা না থাকায় বিমানবন্দরে এসে চরম ভোগান্তিতে পড়েন মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীরা। কেউ কেউ নিজ খরচে হোটেলে থাকলেও অনেকে বিমানবন্দরেই নির্ঘুম রাত পার করেন।

সৌদিগামী যাত্রী নাজিম উদ্দিন জানান, সৌদি আরবে আমার ফ্লাইট ছিল রাতে। কিন্তু কুয়াশার কারণে বাতিল করা হয়। তারা যদি বিষয়টি আমাদের আগে জানায়, তাহলে কষ্ট করে এখানে আসতে হতো না।

ক্ষুব্ধ যাত্রীদের অভিযোগ, পূর্ব নোটিশ ছাড়াই প্লেনের শিডিউলে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ফ্লাইট পেছানোয় করোনা ভাইরাস পরীক্ষার সার্টিফিকেট নিয়েও জটিলতায় পড়ার আশঙ্কা করছেন তারা।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *