#দেশের খবর

নিজেকে নির্দোষ দাবি করলেন ডিজি আজাদ

রিজেন্ট হাসপাতালের দুর্নীতি ও করোনা সনদ দেওয়ার নামে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদকে গতকাল বৃহস্পতিবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা থেকে বিকাল পৌনে ৪টা পর্যন্ত দুদকের প্রধান কার্যালয়ে দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্যার নেতৃত্বে একটি টিম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। এর আগে গত বুধবারও মাস্ক ও পিপিই ক্রয় দুর্নীতির ঘটনায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আজাদ সাংবাদিকদের কাছে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, রিজেন্ট হাসপাতাল ও জেকেজি হেলথ কেয়ারের বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন তদন্ত করছে। সাবেক মহাপরিচালক হিসেবে আমি কী জানি, তার জন্য দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা আমাকে আসার অনুরোধ করেছিলেন। আমি যা জানি তা তাদের বলেছি। তদন্তাধীন বিষয় সম্পর্কে এ মুহূর্তে আমার পক্ষে এর বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।

তিনি সাংবাদিকদের কাছে তার লিখিত বক্তব্যের একটি কাগজ প্রদান করেন। ঐ কাগজে লিখিত বক্তব্যে তিনি ইউরোপ ও আমেরিকায় কোভিড-১৯ সংক্রমণ ও মৃত্যুসংখ্যা উল্লেখ করেন এবং সে প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে এটি নিয়ন্ত্রণে সরকারের শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেন।

দুদক সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পরস্পর যোগসাজশে ‘অনিয়ম, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে’ কোভিড-১৯-এর চিকিত্সার জন্য ‘নিম্ন মানের’ মাস্ক, পিপিই ও অন্যান্য স্বাস্থ্য সরঞ্জাম কিনে বিভিন্ন হাসপাতালে সরবরাহ করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত্ করেছেন বলে অভিযোগ এসেছে কমিশনের হাতে। এসব অভিযোগের অনুসন্ধানে গত ১৫ জুন দুদক কর্মকর্তা জয়নুল আবেদীন শিবলীকে প্রধান করে চার সদস্যের এই টিম গঠন করে কমিশন। অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে কেন্দ্রীয় ঔষধাগারের (সিএমএসডি) এক উপপরিচালকসহ তিন কর্মকর্তাকে গত ২০ জুলাই দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। এরপর গত ৬ আগস্ট আজাদসহ পাঁচ জনকে তলব করে দুদকের পরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলী ও শেখ মো. ফানাফিল্যা পৃথক তলবি নোটিশ পাঠান।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *