#দেশের খবর

চালকল মালিক কালো তালিকা ভুক্ত।

বোরো মৌসুমে সরকারে সাথে চুক্তিভঙ্গ করে খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ না করায় কেশবপুরে চাল সংগ্রহ অভিযানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হয়নি। যে কারণে ৩০ চালকল মালিককে কালো তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে। এসব চালকল মালিকের জামানত বাজেয়াপ্তসহ আগামী ২ বছর চাল সরবরাহ থেকে বাইরে রাখার মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করছে খাদ্য বিভাগ।

কেশবপুর চলতি বোরো মৌসুমে প্রতিকেজি ৩৬ টাকা দরে ১ হাজার ৬শ’ ৩৪ মেট্রিক টন চাল কেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সময় বাড়িয়েও সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৮শ’ ৪৬ মেট্রিক টন। এ উপজেলার ৫৫ জন মিল মালিকের মধ্যে ২৫ জন চুক্তি অনুযায়ী চাল সরবরাহ করেছে। আংশিক দিয়েছে ৬ জন, মোটেও চাল দেয়নি ২৪ জন। চুক্তি করেও চাল না দেয়ার অভিযোগে কেশবপুরের ৩০ চালকল মালিককে কালো তালিকাভুক্ত করছে খাদ্য বিভাগ। বাজারে চালের দাম বেশী এ অজুহাতে যেসব চালকল মালিকরা সরকারের চাল সংগ্রহ অভিযানে অসহযোগিতা করেছে তাদের মধ্যে সোনালী রাইস মিল, হাজি রাইস মিল, খান রাইস মিল, রূপালী রাইস মিল, শততা রাইস মিল, আরাফাত রাইস মিল, জনসেবা রাইস মিল, বিশ্বাস ট্রেডার্স, শাহিদা রাইস মিল, জ্যোতি রাইস মিল, আবদুল্লাহ রাইস মিল, জাহিদ রাইস মিল উল্লেখযোগ্য।

মিল মালিক বিষ্ণুপদ দাস জানান, এ উপজেলায় এ বছর প্রচুর ধান উৎপাদন হলেও ধানের বাজার বেড়ে যায়। তাছাড়া মোটা ধানের উৎপাদন হয়েছে খুবই কম। যে কারণে চালের বাজার ছিল অন্য বছরের তুলনায় বেশী। সরকারে সাথে চুক্তি করায় কেজীতে ৬/৭ টাকা লোকসান গুণেও খাদ্য গুদামে চাল সরবরাহ করেছি। ফলে আগামীতে তিনি সরকারের কাছে বাড়তি সুবিধা দেয়ার দাবি জানান। এ ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আবুল হাসান বলেন, যারা চুক্তি করেও চাল দেয়নি তাদের তালিকা করা হয়েছে। আইনানুযায়ী এসব চালকল মালিকদের বিরুদ্ধে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নেবেন বলে তিনি জানান। যারা লোকসানে চাল দিয়েছে তাদের ব্যাপারে বিবেচনা করছে মন্ত্রণালয়।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *