শীতলক্ষ্যায় লঞ্চডুবি, ৬ জনের লাশ উদ্ধার।
নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে রোববার দুপুরে জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চডুবির ঘটনায় নারী-শিশুসহ ছয়জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। তবে তাৎক্ষণিক তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
এমভি রুপসি-৯ নামের জাহাজটি এম এল আফসার উদ্দিন লঞ্চটিকে ধাক্কা দেয়। এতে লঞ্চে থাকা ৪০-৫০ যাত্রী পানিতে ডুবে যান। কয়েকজন সাঁতরিয়ে তীরে উঠলে পরলেও এখনো অন্তত ২০ জন যাত্রী নিখোঁজ আছেন।
এদিকে যাত্রীবাহী লঞ্চকে ধাক্কা দেওয়া সিটি গ্রুপের মালিকানাধীন কার্গো জাহাজ এমভি রূপসী-৯ আটক করেছে নৌ-পুলিশ। এ ঘটনায় পৃথক তিনটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেন্টেইনেন্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিল্লুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নিখোঁজদের উদ্ধারে নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, বিআইডব্লিউটিএ ও কোস্টগার্ডের ডুবুরি দল কাজ করছে। মুন্সীগঞ্জের মাওয়া ঘাট থেকে উদ্ধারকাজে অংশ নিতে নারায়ণগঞ্জের কয়লাঘাট এলাকার উদ্দেশে রওনা দিয়েছে উদ্ধারকারী জাহাজ রুস্তম।
এখন পর্যন্ত দুজন নারী, দুটি শিশু ও একজন পুরুষসহ উদ্ধার ছয় জনের মধ্যে একজনের নাম জানা গেছে। তার নাম জয়নাল আবেদীন (৫০)। তার বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদরের ইসলামপুর এলাকায়। বাকিদের পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, বেলা আড়াইটার দিকে শীতলক্ষ্যা নদীর মাহমুদনগর কলাবাগান এলাকায় রূপসী-৯ নামের পণ্যবাহী নৌযানের ধাক্কায় যাত্রী বোঝাই এমএল আশরাফউদ্দিন নামের একটি লঞ্চ ডুবে যায়। লঞ্চটি নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সিগঞ্জে যাচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর সাঁতরে তীরে ওঠা মো. আবু তাহের বলেন, রূপসী-৯ নামের কার্গোটি তাদের লঞ্চটিকে পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। ধাক্কার পর অন্তত ৫০ মিটার দূরে গিয়ে লঞ্চটি ডুবে যায়। এ সময় লঞ্চে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ যাত্রী ছিল বলে তিনি ধারণা করছেন।





