#দেশের খবর

চুয়াডাঙ্গায় অর্ধকোটি টাকার স্বর্ণের বার উদ্ধার।

চুয়াডাঙ্গায় গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে একটি প্রাইভেটকারের গতিরোধ করে প্রায় অর্ধকোটি টাকার পাঁচটি স্বর্ণের বার উদ্ধারসহ দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাব্বুর রহমান কাজলের নেতৃত্বে শহর ফাঁড়ি পুলিশ রাত ১টার দিকে এ অভিযান পরিচালনা করে।

আটকরা হলেন চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কুতুবপুর গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে কামরুল হাসান জুয়েল (৩৫) ও একই গ্রামের হাজি আব্দুল জব্বারের ছেলে আরিফ (৪৮)। এরমধ্যে আরিফ ওই প্রাইভেটকারের মালিক ও চালক।

জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চুয়াডাঙ্গা শহরের রেল বাজার-সংলগ্ন বিএডিসি মোড়ে অভিযান পরিচালনা করে শহর ফাঁড়ি পুলিশ। এ সময় ফরিদপুর থেকে চুয়াডাঙ্গা অভিমুখী একটি প্রাইভেটকারের গতিরোধ করা হয়। পুলিশ প্রাইভেটকারের ভেতরে থাকা দু’জনকে বাইরে আসতে বললে চালকের পাশে বসা চোরাকারবারী জুয়েল দৌঁড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ তৎক্ষণাণিক তাকে আটক করে এবং প্রাইভেটকারে তল্লাশি চালায়। এ সময় প্রাইভেটকার থেকে ৫৮১ গ্রাম ওজনের প্রায় ৫০ ভরি ওজনের পাঁচটি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। পরে প্রাইভেটকারটির মালিক পরিচয় দেয়া চালক আরিফ ও চোরাকারবারী জুয়েলকে আটক করে চুয়াডাঙ্গা সদর থানা হাজতে নেয়া হয়। এছাড়া প্রাইভেটকারটির জব্দ করে রাতেই থানায় নেয় পুলিশ।

আটকের পর চোরাকারবারী জুয়েল পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়, ফরিদপুর থেকে এই স্বর্ণ ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে তিন হাজার টাকা হাজিরায় প্রাইভেটযোগে কুতুব-সংলগ্ন ভারতীয় সীমান্তের দিকে যাচ্ছিলেন।

প্রাইভেটকারটির মালিক পরিচয় দেয়া আরিফ পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানান, গাড়িটি জুয়েল ভাড়া নিয়েছিল। স্বর্ণের ব্যাপারে তার কিছুই জানা নেই।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহাব্বুর রহমান জানান, আরিফ ও জুয়েল নামে দু’জনকে আটক করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে দু’জনেই অনেক আগে থেকেই এ কাজের সাথে জড়িত এবং এদের সারাদেশে একটা বড় সিন্ডিকেট রয়েছে। এদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন রাতেই ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে দু‘জনকে পাঁচটি স্বর্ণের বারসহ আটক করা হয়েছে। একইসাথে অবৈধ স্বর্ণ বহনকারী একটি প্রাইভেটকার জব্দ করা হয়েছে। স্বর্ণ চোরাচালানের পুরো সিন্ডিকেট ধরতে বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদন্ত করা হচ্ছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *