#দেশের খবর

চাকরির বয়স না বাড়ালে ফের আন্দোলনের হুমকি ছাত্র পরিষদের।

সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবিতে গত কয়েক বছর ধরেই আন্দোলন করে আসছে বিভিন্ন সংগঠন। তবে শেষ পর্যন্ত তা সরকারের সাড়া পায়নি।

সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবিতে গত কয়েক বছর ধরেই আন্দোলন করে আসছে বিভিন্ন সংগঠন। তবে শেষ পর্যন্ত তা সরকারের সাড়া পায়নি।

মহামারীকালে নিয়োগ প্রায় বন্ধ থাকার মধ্যে সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবি তুলেছে বাংলাদেশ সাধারণ ছাত্র পরিষদ।

আগামী ২০ জুনের মধ্যে এই দাবি না মানলে ২৫ জুন থেকে শাহবাগে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির হুঁশিয়ারি দিয়ে মঙ্গলবার সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক জুবায়ের আহমেদ বলেন, চাকরিতে প্রবেশের বয়স বাড়ানো এখন ‘সময়ের দাবি’।

দাবির পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে তিনি বলেন, “গড় আয়ু যখন ৪৫ ছিল তখন চাকরিতে প্রবেশের বষয়স ২৭ ছিল, গড় আয়ু যখন ৫০ পার হল, তখন ৩০ করা হল।

“বর্তমানে আমাদের গড় আয়ু ৭২.২ বছর। গড় আয়ু বাড়ানোর কারণে চাকরিতে অবসরের সীমা ৫৭-৫৯ বছর করা হয়। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় গড় আয়ু বাড়ানোর কারণে এখন পর্যন্ত চাকরিতে প্রবেশের সীমা বাড়ানো হয়নি।”

জুবায়ের বলেন, “চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩০ বছর। এই গণ্ডি, দেওয়াল, সীমানা প্রাচীর অবরুদ্ধ করে রেখেছে বাংলার লক্ষ কোটি ছাত্র সমাজকে। তারা আজ নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত, ছাত্রসমাজ আজ দিশেহারা কর্মহীনতার মৃত্যু যন্ত্রণায় ছটপট করছে।”

বর্তমানে সরকারি চাকরিতে নিয়োগে ৩০ বছর বয়স পর্যন্ত আবেদন করা যায়। এই বয়সসীমা বাড়াতে এর আগেও আন্দোলন হয়েছিল। কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে এই বয়সসীমা বাড়ানোর প্রস্তাব নাকচ করে দেওয়া হয়।

সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবিতে গত কয়েক বছর ধরেই আন্দোলন করে আসছে বিভিন্ন সংগঠন। তবে শেষ পর্যন্ত তা সরকারের সাড়া পায়নি। সরকারি চাকরিতে ঢোকার বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩৫ বছর করার দাবিতে গত কয়েক বছর ধরেই আন্দোলন করে আসছে বিভিন্ন সংগঠন। তবে শেষ পর্যন্ত তা সরকারের সাড়া পায়নি।

জুবায়ের বলেন, “আমরা দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে চাকরির বয়সসীমা ৩৫ বছর করার দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। এই ইস্যুটি ব্যাপক আলোচিত, সর্বমহলে সমাদৃত এবং বর্তমানে করোনাভাইরাস মহামারীর প্রেক্ষাপটে এটি গণদাবিতে পরিণত হয়েছে।

“এই দাবি বাস্তবায়নে সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত না জানালে ছাত্র সমাজ কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে।”

এই দাবির সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা একাত্মতা ঘোষণা করেছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সাধারণ ছাত্র পরিষদের মুখপাত্র ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ইমতিয়াজ হোসেন, সংগঠনের সমন্বয়ক জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী সুলতানা আক্তার, ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী মো. নাসিম উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে করোনাভাইরাস মহামারীর ক্ষতি বিবেচনায় নিয়ে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা স্থায়ীভাবে ৩২ বছর করার দাবি জানিয়েছে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা চাকরিপ্রত্যাশী একদল তরুণ।

গত রোববার সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) সংবাদ সম্মেলন করে তারা এই দাবিতে ১১ জুন শাহবাগে সমাবেশ করার ঘোষণা দিয়েছে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *