খাল ও নদীকে সম্পৃক্ত করে হবে ডিএসসিসির আধুনিকায়ন।
রাজধানীর খাল ও বুড়িগঙ্গা নদীকে সম্পৃক্ত করে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকাকে আধুনিক ও পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হবে বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস। তিনি বলেছেন, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে ৩০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হচ্ছে। এ পরিকল্পনা চূড়ান্ত হলে তার উপর ভিত্তি করে আগামীর বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে উঠবে। বুড়িগঙ্গার আদি চ্যানেলের আধুনিকায়ন, খাল, নর্দমা ও জলাশয়গুলোর পরিবেশ বান্ধব ব্যবহারে ঢাকা অধিকতর বাসযোগ্য হয়ে উঠবে। গতকাল বুধবার বিকেলে নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরাম, বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে মতবিনিময়ে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা জানান।
তিনি বলেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রায় দুই বছরে সংস্থার অভ্যন্তরীণ সংস্কার, নীতি-প্রণয়ন, টেকসই পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সামনে বেশ কিছু দৃশ্যমান কাজ নগরবাসী দেখতে পাবেন।
ডিএসসিসিকে দুর্নীতিমুক্ত, রাজস্ব আয় বৃদ্ধি, খাল উদ্ধার, নগর পরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানো, বর্জ্য ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়নসহ চ্যালেঞ্জিং কিছু কাজ করেছেন। এখন চলছে টেকসই উন্নয়ন ও বাসযোগ্য নগরী গড়ার নিরলস প্রচেষ্টা।
নগর ভবনে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় নগর উন্নয়ন সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি অমিতোষ পাল ও সাধারণ সম্পাদক সোহেল মামুনসহ সংগঠনের নির্বাহী কমিটির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে রাজধানীর শ্যামপুর খাল পরিষ্কার কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে তিনি বলেন, অবৈধ দখল ছেড়ে না দিলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে অভিযান চালিয়ে দখলদারকে কারাদণ্ড দিতে বাধ্য হবেন। দখল ঢাকাবাসীর জন্য একটি বড় সমস্যা। দখলদারদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতে আরো কঠোর হবেন। প্রয়োজনে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদেরকে কারাদণ্ড দেওয়া হবে।
খাল সংরক্ষণে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য খালগুলোকে সম্পন্নরূপে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা, রক্ষণাবেক্ষণ করা এবং নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করা। যাতে করে বছর বছর নতুন করে খনন বা বর্জ্য অপসারণ করতে না হয়।





