বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের ফলে বাড়ছে সংক্রমন।
গত মঙ্গলবার ব্রিটেনের এক বৈজ্ঞানিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে দেশে দেশে যে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ রয়েছে তা এখনই প্রত্যাহার করা হচ্ছে। কিন্তু এমন পদক্ষেপকে আত্মঘাতী বলছেন গবেষকরা। গবেষণায় বলা হয়েছে, সময়ের আগেই শিথিলতায় করোনার নতুন স্ট্রেইন তৈরি হবে। ফলে ভ্যাকসিনের বিরুদ্ধে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠবে বলে সতর্ক করা হচ্ছে।
ইনিভার্সিটি অব অ্যাংলিয়া এবং আর্লহাম ইনস্টিটিউট-এর গবেষকদের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমন শঙ্কার কথা বলা হয়েছে।
গবেষকরা বলছেন, ‘ বিধিনিষেধ শিথিলতায় ভাইরাস জনসাধারণের মধ্যে আরও ছড়িয়ে পড়তে সাহায্য করবে। আরও শক্তিশালী হয়ে পড়বে। ফলে বাজারে যে কোভিড প্রতিরোধী ভ্যাকসিন রয়েছে তা কার্যকর হারাতে পারে’।
বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বব্যাপী টিকা দেওয়ার অসামঞ্জস্য থাকায় করোনার নতুন নতুন ভ্যারিয়েন্ট সৃষ্টির ঝুঁকি রয়েছে। পরিসংখ্যানে জানা গেছে, বিশ্বের মাত্র ১৪ শতাংশ মানুষ করোনা প্রতিরোধে দুই ডোজ টিকা নিতে সক্ষম হয়েছেন।
গবেষকরা চিহ্নিত করেছেন নতুন ভ্যারিয়েন্টে শিশুরাও আক্রান্ত হওয়ার অধিক ঝুঁকিতে রয়েছে। কারণ যুক্তরাজ্যেসহ অনেক দেশেই শিশুদের টিকাদান শুরু করতে পারেনি।
ইউরোপের মধ্যে আয়ারল্যান্ড সর্বশেষ দেশ যারা ১২ বছরের কম বয়ী শিশু-কিশোরদের ভ্যাকসিনের আওতায় আনতে কাজ শুরু করেছে।
ডেল্টা ও আলফা ভ্যারিয়েন্ট দাপট দেখাচ্ছে বিশ্বে। বিশেষ করে অতিসংক্রমণশীল ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে বহু মানুষ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু বরণ করছেন।





