#সিলেট বিভাগ

সিলেট শহরের অলিতে গলিতে পশুর হাট।

সিলেট প্রতিনিধিঃ
সিলেট নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে বসেছে শেষ মুহূর্তের পশুর হাট। বিশেষ করে নগরীর মোড়ে মোড়ে বিক্রেতাদের ছাগল নিয়ে জটলা করতে দেখা গেছে। নগরীর হাউজিং এস্টেট, রিকাবীবাজার, মিরাবাজারসহ অন্যান্য স্থানে ছাগল বিক্রি হতে দেখা গেছে। ২/১টি স্থানে বিক্রি হচ্ছে গরুও। অনেকেই আশা করেছিলেন, শেষ মুহূর্তে পশুর দাম কমতে পারে। কিন্তু, দাম চড়া থাকায় বিপাকে পড়তে হয়েছে অনেক ক্রেতাকে। এদিকে, বিক্রির উদ্দেশ্যে নগরে নিয়ে আসা গরুরগুলোর শেষ গন্তব্য হচ্ছে কাজিরবাজার।

সাধারণত সিলেট নগরীতে পশুর হাট জমে উঠে ঈদের ঠিক আগের দিন। এবারো হয়েছে তাই। সকাল থেকেই দূর-দূরান্ত হতে গরু নিয়ে আসছেন শহরে। আবার নগরীর প্রবেশমুখগুলোতে বসেছে পশুর হাট। তবে ক্রেতাদের নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে দাঁড়িয়ে গরু ক্রয় করতে দেখা গেছে। তবে, পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। সড়ক থেকে অনুমোদিত বাজারে গরু নিয়ে যাওয়ার জন্য তাগিদ দিতে দেখা যায়।

অনেকেই বেশি লাভের আশায় আগে গরু বিক্রি করেননি। আজ সবাইকে গরু বিক্রি করতেই হবে। এরজন্য বাজারে পশুর দাম নিয়ে এখনো শঙ্কা রয়েছে।

সিলেট নগরীর কাজিরবাজার ছাড়াও সিলেট সিটি কর্পোরেশন অনুমোদিত তিনটি পশুর হাট বসেছে। এগুলো হচ্ছে-মাছিমপুর কয়েদির মাঠ, ইলেকট্রিক সাপ্লাই এলাকার কালাপাথর মাঠ এবং দক্ষিণ সুরমার ট্রাক টার্মিনাল। এ তিনটি হাটেও প্রচুর গরু উঠেছে। বিক্রিও মোটামুটি ভালো বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

কাজিরবাজারের ম্যানেজার শাহাদত হোসেন লোলন জানান, সিলেটে প্রায় ৫ লাখ গরুর চাহিদা থাকে। এবারো পর্যাপ্ত গরু বাজারে রয়েছে বলে জানান তিনি। নগরীর বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী বাজার হওয়ায় ক্রেতাদের জন্য দাম দর করতে একটু অসুবিধে হচ্ছে। একটা সময় বাজারের ভারসাম্য থাকতো। ক্রেতা-বিক্রেতা কেউ খুব বেশি লোকসান বা লাভ গুনতে হতো না। এখন দামের সেই ভারসাম্য নেই বাজারে।

সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত উপ পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) বিএম আশরাফুল্লাহ তাহের জানান, বিক্রেতা ও ক্রেতারা যাতে হয়রানির শিকার না হন- এর জন্য পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। কোথাও জোর করে গরুর গাড়ি থামাতে চাইলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশও দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *