ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বিরুদ্ধে তদন্ত !
যুক্তরাজ্যে নির্বাচনী কমিশনের তদন্তের মুখে পড়েছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। ডাউনিং স্ট্রিটে তার ফ্ল্যাটের সংস্কারকাজের অর্থায়ন নিয়ে এ তদন্ত শুরু হয়েছে। বুধবার (২৮ এপ্রিল) এ খবর প্রকাশ করেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্ল্যাটটির সংস্কার কাজের অর্থায়নে কোনো অপরাধ হয়েছে বলে সন্দেহ করার যুক্তিসঙ্গত কারণ রয়েছে। কীভাবে সংস্কারের জন্য অর্থ প্রদান করা হয়েছিল তা ঘোষণা করার জন্য জনসন ক্রমবর্ধমান চাপের মধ্যে রয়েছেন।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর সাবেক উপদেষ্টা ডমিনিক কামিংস এর আগে বলেছিলেন, এ কাজে গোপনে অর্থ প্রদানের একটি পরিকল্পনা আছে দাতাদের। জনসন হাউজ অব কমন্সে বলেছেন, তিনি “ব্যক্তিগতভাবে” ফ্লাট রিফার্বিসের খরচ তিনি নিজে বহন করেছিলেন- তবে প্রাথমিক বিলটি কে প্রদান করেছে তা বলবেন না।
প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, অনুদান প্রাপ্তি বিধিবিরোধী নয়, তবে রাজনীতিবিদদের অবশ্যই এগুলি ঘোষণা করতে হবে যাতে জনগণ দেখতে পায় কে তাদের অর্থ দিয়েছে এবং তাদের সিদ্ধান্তে এর কোনো প্রভাব ছিল কিনা।
এ জাতীয় তহবিল যথাযথভাবে ঘোষণা করা হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার ক্ষমতা আছে কমিশনের এবং উপযুক্ত কারণ দেখলে তারা জরিমানা ধার্য করতে পারে বা পুলিশকে অভিযোগ দিতে পারে।
বুধবার প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন-উত্তর পর্বে বিরোধী দলীয় নেতা লেবার পার্টির স্যার কায়ার স্টারমার জনসনকে সংস্কারের অর্থ প্রদানের বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে চাপ দিয়েছিলেন। স্যার কায়ার সরকারকে “বেহায়া, কুটিলতা এবং কলঙ্কে জড়িত” বলে অভিযোগ করেছেন। জনসন উত্তরে বলেন, আমি ব্যয়গুলি সংযোজন করেছি। আচরণবিধির লঙ্ঘন করিনি এবং কর্মকর্তারা আমাকে পুরো বিষয়টি নিয়ে পরামর্শ দিয়ে চলেছেন।





