ইংল্যান্ডে লকডাউন শিথীলের পর্যায়ক্রম ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী।
ইংল্যান্ডে জানুয়ারীর ৫ তারিখ থেকে শুরু হওয়া ৩য় ধাপের লকডাউন ধাপে ধাপে তুলে নেওয়ার রোড ম্যাপ ঘোষনা করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। সোমবার ২২শে ফেব্রুয়ারী ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তিনি এই ঘোষনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর পর্যায়ক্রমিক লকডাউন শিথীলকরণ ঘোষণা যেভাবে বাস্তবায়িত হবে :
১. ৮ই মার্চ থেকে সকল স্কুল পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। সেই সাথে স্কুল পরবর্তী অন্যান্য কার্যক্রম চালু থাকবে।
২. পাবলিক প্লেসে এক সাথে দুইজন দেখা করা যাবে, প্রয়োজনে চা কফি পান করতে পারবেন। কেয়ার হোমগুলোতে একজন ভিজিটর প্রবেশের অনুমতি থাকবে।
৩. ২৯শে মার্চ থেকে ঘরের বাইরে দুই পরিবারের সদ্যরা দেখা করতে পারবেন।
৪. উন্মুক্ত প্রাঙ্গনে খেলাধূলার অনুমতি থাকবে, যেমন টেনিস কোর্ট, ফুটবল, ক্রিকেট, বাচ্চাদের প্লে গ্রাউন্ড ইত্যাদি।
৫. ২৯শে মার্চ থেকে আন্তঃশহরীয় ভ্রমণ / যোগাযোগ রক্ষা করা যাবে।
৭. ধাপে ধাপে লক ডাউন আরো শিথীল হবে।
৮. ১২ই এপ্রিল থেকে আউটডোর পরিসেবা ও সকল প্রকার অপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান চালু হবে।
৯. মে মাসে পাব রেস্টুরেন্ট খোলা হতে পারে এবং জুলাই মাসের মধ্যে সবার জন্য ভ্যাকসিন প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।
লকডাউন শিথীলকরন পরিকল্পনার আওতায় এপ্রিল মাসে আউটডোর পরিসেবাগুলি ফিরে আসতে পারে, তবে পাব এবং রেস্তুরা ইন্ডোর সার্ভিস মে মাসে আগে শুরু হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই ।
যে সকল বিষয়ের উপর দৃষ্টিপাত করতে বলা হয়েছে :
১. করোনার ভ্যাকসিন দেওয়া ধারাবাহিক ভাবে চলবে।
২. সংকটাপন্ন না হলে ঘরে থেকেই প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়া।
৩. করোনা টীকার আমন্ত্রণ না পাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা।
৪. লকডাউন উঠে গেলেও নূন্যতম স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা।
এই শিথীলকরণ প্রক্রিয়া শুধু মাত্র ইংল্যান্ডে বলবৎ হবে। পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে লক ডাউন নীতি পরিবর্তীত হতে পারে।
স্কটল্যান্ড, ওয়েলস এবং নর্দান আইল্যান্ড তাদের স্থানীয় সরকারের নিয়ম অনুযায়ী লক ডাউন নীতি মেনে চলবে।





