#আন্তর্জাতিক

ফ্রান্স বয়কট : ক্ষতি বাংলাদেশেরই !

মীর মোনাজ হক ( জার্মানী থেকে ):  প্রথমত ফ্রান্সে পোশাক খাতে রপ্তানি বন্ধ হলে ৫৪ লক্ষ মানুষ বেকার হয়ে পড়বে। তাছাড়া ফ্রান্সের পণ্য বর্জন করলে বাংলাদেশেরই ক্ষতি হবে, কারন ফ্রান্সের সাথে ২৭ টি ইউরোপীয় দেশ সলিডারিটি পোষণ করেছে। অর্থাৎ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সহায়তা থেকে বঞ্চিত হতে পারে।  ৩ মাস আগে ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাংলাদেশকে ৩৪৩ মিলিয়ন ইউরো অনুদান দিয়েছে।

ধর্মীয় সংগঠন গুলো হয়তো এসব খবর রাখেনা। রোহিঙ্গা ও কক্সবাজারের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য সাড়ে ৬ কোটি ইউরো সহায়তা দেয়া হয়েছে এবং এরমধ্যে আরো প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ ইউরো দেবে ইইউ এবং ৪ কোট ৮০ লাখ ইউরো দেবে জার্মানি। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতের জন্য ৫৫ লাখ ইউরো সহায়তা দেয়া হবে এই বরাদ্দের অধীনে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৬ লাখ ১৮ হাজার ৩৮৩ এবং জার্মানির ৬৯ হাজার ইউরো অনুদানে ঢাকা শহর এবং গ্রামাঞ্চলের অতি-দরিদ্র ও দুর্বল মানুষের জরুরি প্রয়োজনের সমাধান করা হবে। এই অবদানটি সংক্রামিত পরিবারগুলোতে সরাসরি নগদ স্থানান্তর এবং ভাইরাসের বিস্তার কমাতে সচেতনতা প্রচারে সহায়তা করবে।

বৈশ্বিক স্তরে, কোভিড-২০১৯ মোকাবিলায় ৮৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ২২ শতাংশ অবদান রেখে টিম ইউরোপ অন্যান্য বহুপক্ষীয় অংশীদার এবং আইএফআই (ওয়ার্ল্ড ব্যাংক, আইএমএফ, এডিবি)-এর সাথে যোগ দিয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং এর সদস্য দেশগুলো মহামারী মোকাবেলার জন্য বহুপাক্ষিক অংশীদারদের যে তহবিল সরবরাহ করেছে তার থেকেও বাংলাদেশ উপকৃত হবে।
বাংলাদেশ সরকার যেনো বয়কটকারীদেরকে এসব কথা মনে করিয়ে দেয়। ফ্রান্স শুধু একা নয়, পুরা ইউরোপীয় ইউনিয়ন ফ্রান্সের সাথে আছে। তাই বুুুঝে শুনে এগোতে হবে।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *