ছাত্রের সাথে শিক্ষিকার অনৈতিক সম্পর্ক !
৩৫ বছর বয়সী কেন্দিস বারবার একজন স্কুল শিক্ষিকা। প্রায় বছর দুয়েক আগে তারই ১৫ বছর বয়সী এক ছাত্রকে যৌন লালসার শিকারে পরিণত করেছেন তিনি। তার সঙ্গে গোপন সম্পর্ক গড়ে তুলেন। ওই ছাত্রকে তিনি পাঠিয়েছেন নিজের টপলেস ছবি। তাকে জানিয়েছেন, সম্ভবত তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছেন। তার টপলেস ছবি সারা স্কুলে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসে।
স্কুল থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয় তাকে। তারপর বিষয়টি আদালতে গড়ায়। সেখানে বিচার চলছে ওই শিক্ষিকার। তবে ওই শিক্ষিকা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বলেছেন, তার একাউন্ট হ্যাক করে এসব করে থাকতে পারে কেউ। ১লা সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার এ নিয়ে শুনানি হয়েছে আদালতে। এতে জানানো হয়, লন্ডনের বাকিংহামশায়ারে একটি মাধ্যমিক স্কুলে খেলাধুলা বিষয়ক একটি ইভেন্টের পুরস্কার বিতরণ করা হচ্ছিল সন্ধ্যার দিকে। আগে থেকেই ওই ছাত্রের সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্ক গড়ে তুলেছিলেন বারবার। তবে ওই রাতে সুযোগ পেয়ে যান তিনি। ব্যাস, তার সঙ্গে একটি মাঠের মধ্যে স্থাপন করেন শারীরিক সম্পর্ক। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের উন্মুক্তবক্ষের ছবি পাঠাতে থাকেন ওই ছাত্রকে। আস্তে আস্তে সেই তথ্য প্রকাশ পেতে থাকে। ওই ছবি ছড়িয়ে পড়ে স্কুলে। এ সময় তার শিকারে পরিণত হওয়া ওই ছাত্রকে তিনি জানান, তার সন্তান চলে এসেছে তার গর্ভে। এসব অভিযোগ কেন্দিস বারবার অস্বীকার করলেও তার স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেছেন, স্কুলে তার টপলেস ছবি ছড়িয়ে পড়ার পর তিনি কেন্দিস বারবারকে ওই ছাত্রের সঙ্গে যৌন সম্পর্ক থাকার তথ্য পেয়েছেন।
অ্যালিসবারি ক্রাউন কোর্টে জানানো হয়, কেন্দিস বারবার ওই ছাত্রটিকে স্কুলের পুরস্কার বিতরণের রাতে তার শিকারে পরিণত করেন। এরপর তাকে নিজের হোয়াটসএপে যোগ করেন। প্রসিকিউটদের দাবি, তখন কেন্দিস বারবারের বয়স ছিল ৩৩ বছর। তিনি স্কুলের অনুষ্ঠান শেষে ওই টিনেজ শিক্ষার্থীকে তার গাড়িতে তুলে নেন। এরপর একটি নির্জন স্থানে নিয়ে গিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করেন। শুনানিতে জুরিরা জানতে পারেন ওই শিক্ষিকার স্কুলে পড়ার বয়সী একটি সন্তান রয়েছে। তিনি ওই রাতেই শুধু তার টিনেজ শিক্ষার্থীকে শিকারে পরিণত করেই শান্ত থাকেন নি। কমপক্ষে দু’বার এমন লালসা চরিতার্থ করেছেন। এরপরে নিজের টপলেস ছবি পাঠিয়েছেন ওই টিনেজ শিক্ষার্থীকে।





