#আন্তর্জাতিক

জম্মু-কাশ্মীরে আবারো সংঘর্ষ, ১০ গেরিলা ও ৩ জওয়ান নিহত।

জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩৬ ঘণ্টায় ১০ গেরিলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর ২ জওয়ান নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, রোববার নৌসেরা সেক্টরে পাকিস্তানি বাহিনীর গুলিতে রাজিন্দার সিং নামে সেনাবাহিনীর এক জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার (জেসিও) নিহত হয়েছেন।

রবিবার ভোরে শ্রীনগরের পান্থচকে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩ গেরিলার মৃত্যু হয়। সংঘর্ষে বাবু রাম নামে পুলিশের এক সহকারী উপ-পরিদর্শক নিহত হয়েছেন। শনিবার প্রশান্ত শর্মা নামে এক সেনা জওয়ান নিহত হন।

এনডিটিভি জানিয়েছে, শ্রীনগরের পান্থচকের কাছে পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফের যৌথ তল্লাশি দলের উপরে সন্ত্রাসীরা গুলিবর্ষণ করে। পরে নিরাপত্তা বাহিনী ওই এলাকা ঘিরে ফেলে অভিযান চালায়। এসময় উভয়পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি গুলিবর্ষণ হলে ৩ সন্ত্রাসী নিহত হয়।

এর আগে শনিবার পুলওয়ামাতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ৩ গেরিলা ও প্রশান্ত শর্মা নামে এক সেনা জওয়ান নিহত হন। গেরিলাদের বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর ৫০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলস, আধাসামরিক বাহিনী সিআরপিএফ ও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ সমন্বিত যৌথবাহিনী অভিযান চালিয়েছিল।

একইভাবে গত শুক্রবারও সোপিয়ানে এক সংঘর্ষে ৪ গেরিলা নিহত হয়। এভাবে ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে ১০ গেরিলা ও নিরাপত্তা বাহিনীর ২ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে।

রবিবার নৌশেরা সেক্টরে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে পাকিস্তানি বাহিনী গুলিবর্ষণ শুরু করলে ভারতীয় সেনাবাহিনী পাল্টা গুলিবর্ষণ করে জবাব দিয়েছে। এ সময় পাক বাহিনীর গুলিতে সেনাবাহিনীর এক কর্মকর্তা গুরুতরভাবে আহত হন। তাঁকে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানেই মারা যান।

কর্মকর্তারা বলেন, পাকিস্তানি বাহিনী রবিবার ভোরে রাজৌরি জেলার নৌশেরা এলাকায় যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে। এ সময়ে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর, কলসিয়ান, খঞ্জর, ভবানী এলাকায় ছোট অস্ত্রের সাহায্যে গুলিবর্ষণ হয়। পাক বাহিনীকে পাল্টা কঠোর জবাব দেওয়ার সময়ে সেনাবাহিনীর জুনিয়র কমিশনড অফিসার (জেসিও) প্রাণ হারিয়েছেন। তিনি কলসিয়ান সেক্টরে একটি ফরোয়ার্ড পোস্টে মোতায়েন ছিলেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *