#দেশের খবর

প্রায় ৩ লাখ করোনা পজিটিভ

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে মারা গেছেন ৩৯ জন। এ নিয়ে এখন পর্যন্ত মোট তিন হাজার ৮৬১ জনের মৃত্যু হলো। নমুনা পরীক্ষায় গত ২৪ ঘণ্টায় দুই হাজার ৪০১ জন এবং এখন পর্যন্ত দুই লাখ ৯০ হাজার ৩৬০ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৬২৪ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ হলেন এক লাখ ৭২ হাজার ৬১৫ জন।
গতকাল শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা স্বাক্ষরিত করোনা বিষয়ক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সর্বশেষ এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে দেশে ৯১টি পরীক্ষাগারে করোনার নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১২ হাজার ৯৪৩টি, এখন পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৪ লাখ ২০ হাজার ৪৯৯টি। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন দুই হাজার ৪০১ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৫৫ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ দশমিক ৪৪ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার এক দশমিক ৩৩ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৩৯ জনের মধ্যে পুরুষ ২৭ জন এবং নারী ১২ জন। এখন পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেছেন তিন হাজার ৪৬ জন; যা ৭৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ, আর নারী মারা গেছেন ৮১৫ জন; যা ২১ দশমিক ১১ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে মারা গেছেন ৩৬ জন এবং বাড়িতে মারা গেছেন তিনজন।
গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে একজন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে চারজন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে চারজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে পাঁচজন এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সের মধ্যে রয়েছেন ২৫ জন।

এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যুর শতকরা হারে দেখা গেছে, শূন্য থেকে ১০ বছরের মধ্যে ১৯ জন, যা শূন্য দশমিক ৪৯ শতাংশ। ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে ৩৫ জন, যা শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ। ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে ৯৪ জন, যা দুই দশমিক ৪৩ শতাংশ। ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ২৪৩ জন, যা ছয় দশমিক ২৯ শতাংশ। ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৫১৬ জন, যা ১৩ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে এক হাজার ৮১ জন, যা ২৮ শতাংশ এবং ৬০ বছরের বেশি বয়সী মারা গেছেন এক হাজার ৮৭৩ জন; যা ৪৮ দশমিক ৫১ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতরের এমআইএস (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম) থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ২৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে পাঁচজন, রাজশাহী বিভাগে একজন, খুলনা বিভাগে তিনজন, বরিশাল বিভাগে দুইজন, সিলেট বিভাগে চারজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন রয়েছেন।
এদিকে করোনায় আক্রান্ত হয়ে গতকাল পর্যন্ত মারা গেছেন তিন হাজার ৮৬১ জন। স্বাস্থ্য অধিদফতরের হিসাব অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত রোগীর সংখ্যার ও মৃত্যুর হার ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি। আর সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে।

দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগীর মৃত্যু হয় ১৮ মার্চ, আর শনাক্ত হয় ৮ মার্চ। রোগী শনাক্ত হওয়ার ১৬৭তম দিনে এসে রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে দুই লাখ ৯০ হাজার ৩৬০ জন।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯ জন মারা গেছেন। মারা যাওয়াদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে রয়েছেন ২৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে পাঁচজন, রাজশাহী বিভাগে একজন, খুলনা বিভাগে তিনজন, বরিশাল বিভাগে দুই জন, সিলেট বিভাগে চারজন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন।

ঢাকা বিভাগে এখন পর্যন্ত মারা গেছেন এক হাজার ৮৪৫ জন। শতকরা হিসাবে ৪৮.০২ শতাংশ, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৬৩ জন, শতকরা হিসাবে ২২.৩৫ শতাংশ, রাজশাহী বিভাগে ২৫১ জন, শতকরা হিসাবে ৬. ৫০ শতাংশ, খুলনা বিভাগে ৩১৬ জন; শতকরা হিসাবে ৮. ১৮ শতাংশ, বরিশাল বিভাগে ১৫১ জন; শতকরা হিসাবে ৩.৯১ শতাংশ, সিলেট বিভাগে ১৮৩ জন; শতকরা হিসাবে ৪.৭৪ শতাংশ, রংপুর বিভাগে ১৬০ জন; চার দশমিক ৪.১৪ শতাংশ। আর ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছেন ৮৩ জন; যা শতকরা হিসাবে ২.১৫ শতাংশ।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *