#সিলেট বিভাগ

জিন্দাবাজার থেকে চৌহাট্টা দুই লেইনে উন্নিত হচ্ছে

কোর্ট পয়েন্ট থেকে জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা রাস্তার উভয় পাশ দিয়ে শুরু হচ্ছে যানচলাচল। এরই লক্ষ্যে রাস্তার মধ্যখানে নির্মাণ করা হচ্ছে ডিভাইডার। ইতিমধ্যে জিন্দাবাজার পয়েন্ট থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত রাস্তায় ডিভাইডার নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র মতে, সিলেট নগরীর চলমান উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধন কাজের আওতায় নিয়ে আসা হয় সুরমা মার্কেট থেকে কোর্ট পয়েন্ট হয়ে জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা রাস্তাটি। ইতিমধ্যে কোর্ট পয়েন্ট থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত রাস্তার দুই ধার বর্ধিত করা হয়েছে। উভয় পাশে নির্মাণ করা হয়েছে বড় আকারের ড্রেন। জিন্দবাজার থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত রাস্তার পার্শ্ববর্তী স্থাপনাগুলোর নতুন দেয়াল নির্মাণ করে অপরূপ সাজে সজ্জিত করা হয়েছে। সিলেট সরকারি মহিলা কলেজ, রেড ক্রিসেন্টের মাতৃমঙ্গল হাসপাতাল, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় ও জিন্দাবাজার সরকারি কিন্ডারগার্টেনের পুরাতন দেয়াল ভেঙ্গে নতুন দেয়াল নির্মাণ করায় পথচারীদের আকৃষ্ট করছে অনায়াসে।

সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কোর্ট পয়েন্ট থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত রাস্তার আয়তন পূর্বে কোথাও ছিল ৪৪ ফিট আবার কোথাও ছিল ৫৫ ফিট। জনগুরুত্বপূর্ণ এই রাস্তার দু’পাশে বর্তমানে ৫ ফিট করে মোট ১০ ফিট বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ পূর্বে যেখানে ছিল ৪৪ ফিট বর্ধিত করার পর হয়েছে ৫৪ আর যেখানে ছিল ৫৫ এখন বেড়ে হয়েছে ৬৫ ফিট। বর্তমানে জিন্দাবাজার থেকে চৌহাট্টা পর্যন্ত রাস্তার মধ্যখানে ডিভাইডার নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। ডিভাইডারের মধ্যখানে বসানো হয়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। জিন্দাবাজার-চৌহাট্টা রাস্তার দুই প্রবেশ মুখে বসানো হয়েছে দু’টি বার। যার ফলে এই রাস্তা দিয়ে কোন বড় ধরণের যানবাহন চলাচল করতে না পারে।

সিটি কর্পোরেশনের ওই সূত্র আরো জানায়, মূলত সুরমা মার্কেট পয়েন্ট থেকে কোর্ট পয়েন্ট-জিন্দাবাজার হয়ে চৌহাট্টা পর্যন্ত রাস্তা ডাবল ওয়ে হচ্ছে। যার জন্য রাস্তার মধ্যখানে নির্মাণ করা হচ্ছে ডিভাইডার। এই কাজ সম্পূর্ণ শেষ হলে কোর্ট পয়েন্ট থেকে জিন্দাবাজার চৌহাট্টা রাস্তার উভয় পাশ দিয়ে চলাচল করবে যানবাহন। পূর্বে এই রাস্তা দিয়ে শুধুমাত্র কোর্ট পয়েন্ট থেকে চৌহাট্টার দিকে একমুখী যানচলাচল করতো।

এ বিষয়ে সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী নূর আজিজুর রহমান বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে শ্রমিক সঙ্কট থাকায় কাজ পিছিয়ে পড়েছে। আগামি ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এই রাস্তার কাজ শেষ হবে বলে তিনি আশাব্যক্ত করেন।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *