জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে পাকিস্তানে বিক্ষোভ।
এক সপ্তাহের মধ্যে দ্বিতীয়বারের মতো জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ডাকে রাজধানী ইসলামাবাদসহ বেশ কয়েকটি শহরের রাস্তায় নামে দেশটির সাধারণ মানুষ।
এ সময় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদের পাশাপাশি সরকারের সমালোচনা করেন আন্দোলনকারীরা।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে দ্বিতীয় দফায় জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে শুক্রবার (৩ জুন) লাখো মানুষের ঢল নামে। সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ডাকে রাস্তায় নেমে আসে সাধারণ মানুষ। রাজধানী ইসলামাবাদ, লাহোর, করাচিসহ বিভিন্ন শহরে ইমরানের খানের ছবি হাতে নিয়ে বিক্ষোভে অংশ নেন তারা। এ সময় মাত্র জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদের পাশাপাশি বর্তমান সরকারকে আমদানি করা সরকার আখ্যা দেন আন্দোলনকারীরা।
এক নাগরিক বলেন, গত সাড়ে তিন বছরে পেট্রলের দাম ৫৫ রুপি বেড়েছে। অথচ মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে তা বেড়েছে ৬০ রুপি। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই এবং সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করি এটি যেন না থাকে।
দেশটিতে গত সপ্তাহেই জ্বালানি তেলের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়। এক সপ্তাহ ঘুরতে না ঘুরতেই শুক্রবার আবারও ১৭ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে সরকার
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল আইএমএফের শর্ত মেনেই জ্বালানি তেলের ওপর থেকে ভর্তুকি তুলে নেয়ায় এই মূল্যবৃদ্ধি করা হয়েছে বলে দাবি শাহবাজ সরকারের। গত এপ্রিলে ক্ষমতায় আসার পর অর্থনৈতিক দুর্দশা কাটাতে আইএমএফ এর দ্বারস্থ হয় শাহবাজ সরকার। তবে ঋণ পেতে জ্বালানির ওপর ভর্তুকি প্রত্যাহারের পাশাপাশি বেশ কিছু কঠোর শর্ত বেঁধে দেয় আইএমএফ। বিনিময়ে ৯০ কোটি ডলার সহায়তার আশ্বাস দেয়া হয়।
তথ্যসূত্র : জিও নিউজ।





