#দেশের খবর

পি কে হালদারসহ ৫ জন বিচার বিভাগীয় রিমান্ডে।

ভারতে গ্রেপ্তার প্রশান্ত কুমার হালদার (পি কে হালদার) ও তার পাঁচ সহযোগীকে ১১ দিনের বিচার বিভাগীয় রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতার নগর দায়রা আদালত। শুক্রবার পি কে হালদারসহ ছয় আসামিকে আদালতে হাজির করা হলে এ আদেশ দেন আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক সৌভিক ঘোষ। এই সময়ে কারাগারে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন ভারতের অর্থ গোয়েন্দা সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) কর্মকর্তারা। আগামী ৭ জুন তাদের আবার আদালতে হাজির করা হবে।

অপর পাঁচ আসামি হলেন- প্রাণেশ কুমার হালদার, স্বপন মিস্ত্রি ওরফে স্বপন মৈত্র, উত্তম মিস্ত্রি ওরফে উত্তম মৈত্র, ইমাম হোসেন ওরফে ইমন হালদার এবং আমানা সুলতানা ওরফে শর্মী হালদার।

সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি আত্মসাৎ করে বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যান পি কে হালদার। গত ১৪ মে কলকাতা থেকে তাকেসহ ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে ইডি। এরপর দুই দফায় তাদের মোট ১৩ দিন রিমান্ডে নেয় ইডি। সর্বশেষ ১০ দিনের রিমান্ড শেষে শুক্রবার তাদের আদালতে হাজির করে ইডির পক্ষ থেকে ১৪ দিনের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে (জেল হেফাজত) দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। আদালত ১১ দিনের জেল হেফাজত মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, পি কে হালদার ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়েছে। প্রথমটি অর্থ পাচার ও দ্বিতীয়টি দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনে করা হয়।

শুক্রবার আদালতে ইডির আইনজীবী অরিজিৎ চক্রবর্তী বলেন, আসামিদের দুই দফায় ১৩ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদে এমন কিছু তথ্যপ্রমাণ হাতে এসেছে, যাতে প্রমাণ হয় পি কে হালদার এবং তার সহযোগীরা ভারতজুড়ে প্রতারণার জাল ছড়িয়েছিল। কলকাতা এবং এর উপকণ্ঠে ইডি এমন ১৩টি সংস্থার খোঁজ পেয়েছে যেগুলো পি কে হালদার বা তার সহযোগীদের গড়া। বাংলাদেশ থেকে আনা অর্থ মূলত আবাসন খাতে বিনিয়োগ করা হয়েছে। যেসব সম্পত্তি উদ্ধার করা হয়েছে সেগুলো কেনার পর্যাপ্ত আয়ের উৎস তারা দেখাতে পারেননি।

Leave a comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *