যশোর বোর্ডের ১০ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মামলা।
অফিসের কম্পিউটার যন্ত্রাংশ কেনাকাটায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মোল্লা আমির হোসেনসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল দুদকের যশোর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের অনুসন্ধান কর্মকর্তা সহকারী পরিচালক মাহফুজ ইকবাল মামলাটি করেন। সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
আসামিরা হলেন যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক সচিব ও চেয়ারম্যান ড. মোল্লা আমির হোসেন, সহকারী সচিব-কমন সার্ভিস জাহাঙ্গীর আলম ও আশরাফুল ইসলাম, নিরাপত্তা কর্মকর্তা মনির হোসেন, উপসহকারী প্রকৌশলী কামাল হোসেন, ক্রীড়া কর্মকর্তা আ ফ ম আসাফুদৌলা, অডিট কর্মকর্তা আব্দুস সালাম, হিসাব কর্মকর্তা মিজানুর রহমান ও জাহানারা খাতুন এবং সিস্টেম অ্যানালিস্ট শরিফ সালমা কহিনুর। তারা সবাই ক্রয় কমিটির সদস্য ছিলেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, যশোর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডে ২০১৬-১৭, ২০১৭-১৮ ও ২০১৮-১৯ অর্থবছরে কম্পিউটার, কম্পিউটার যন্ত্রাংশ ও প্রিন্টার ক্রয় বাবদ মোট ৩ কোটি ১৬ লাখ ২৮ হাজার ৩৫৬ টাকা ব্যয় করা হয়। অনুসন্ধানকালে বাজারমূল্য যাচাই করে ১ কোটি ২০ লাখ ১৪ টাকা অতিরিক্ত ব্যয়ের প্রমাণ মিলেছে।
মামলাটি তদন্তকালে অপরাধের সঙ্গে অন্য কারো সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন দুদক যশোরের উপপরিচালক আল আমিন। ২০২১ সালের ৭ অক্টোবর যশোর শিক্ষা বোর্ডের ৩৮টি চেকে জালিয়াতির মাধ্যমে লোপাট করা হয় ৭ কোটি টাকা। এ ঘটনার পর বোর্ড কর্তৃপক্ষ যশোর দুদকে লিখিত অভিযোগ করে। তদন্তে নেমেই দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় মামলা করেন দুদক কর্মকর্তা। এতে আসামি করা হয় পাঁচজনকে। তারা হলেন তত্কালীন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ড. মোল্লা আমীর হোসেন, সচিব অধ্যাপক এএমএইচ আলী আর রেজা, কর্মচারী আব্দুস সালাম, জালিয়াতি চক্রের প্রধান ভেনাস প্রিন্টিং অ্যান্ড প্যাকেজিংয়ের মালিক রাজারহাট এলাকার বাসিন্দা আবদুল মজিদ আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম বাবু ও শেখহাটী জামরুলতলা এলাকার শাহীলাল স্টোরের মালিক মৃত সিদ্দিক আলী বিশ্বাসের ছেলে আশরাফুল আলম।
তথ্যসূত্র : বণিক বার্তা।





