ডা. মুরাদ হাসানকে ঢাকায় জিজ্ঞাসাবাদ।
নারীর প্রতি অশোভন মন্তব্যসহ নানামুখী বির্তকে মুখে সদ্য তথ্য প্রতিমন্ত্রীর পদ হারানো ডা. মুরাদ হাসান কানাডার পর দুবাইয়ে প্রবেশের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে অবশেষে আজ রোববার (১২ ডিসেম্বর) বিকালে দেশে ফিরেছেন।
রোববার (১২ ডিসেম্বর) বিকালে ঢাকায় ফিরে আসেন। ঢাকায় ফিরে বিমানবন্দরে এলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়েছে ডা. মুরাদ হাসানকে। কারণ তিনি করোনা মহামারির সময়ে ডাবল ডোজ টিকার সনদ ছাড়া কিভাবে বিমানবন্দর দিয়ে কানাডা ও দুবাই গেছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ইমিগ্রেশনের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি মুরাদ ট্রানজিটের যাত্রী হওয়ায় ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে হয় তাকে।
বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে জানা যায় , ডা. মুরাদ হাসান করোনার ডাবল ডোজ ছাড়া কানাডায় যাওয়া তাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। তাহলে কিভাবে ডাবল ডোজ ছাড়া তিনি ঢাকা থেকে কানাডার উদ্দেশে গেলেন তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
রোববার এক ব্রিফিংয়ে ডা. মুরাদ হাসানকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও ইমিগ্রেশনের জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়টি স্বীকার করেছেন বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলী। তবে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো কথা বলেননি।
শাহজালাল বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক তৌহিদুল আহসান বলেন, বিমানবন্দর দিয়ে যে যাত্রীই বাইরের দেশে যান সেসব বহির্গমন যাত্রীদের স্বাস্থ্য সনদ চেক করা, ভ্যাকসিনেশন সার্টিফিকেট চেক করার দায়িত্ব সিভিল এভিয়েশনের, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের নয়। আমরা যাত্রীদের সেবা দেই। ইমিগ্রেশন শাখা ইমিগ্রেশন করবে, স্বাস্থ্যের কাজ স্বাস্থ্য করবে। মুরাদ সংক্রান্ত তথ্য জানতে হলে আপনাদের যথাযথ কর্তৃপক্ষকে প্রশ্ন করলে তারা ভালো উত্তর দিতে পারবেন।





